পঞ্চগড়ের অটোয়ারীতে বানিজ্যিক ভাবে করোলার চাষ সাবলম্বী এখন তোজাম্মেল হক


মোঃ কামরুল ইসলাম কামু,পঞ্চগড়ঃ
 

দেশের উত্তরপ্রান্তের সীমান্তবর্তী জেলা পঞ্চগড়। সবুজে সবুজে ভরে উঠেছে সবজির ক্ষেত। লাউ, পুঁইশাক, শসা করলা সহ সব ধরনের সবজিতে ভরে গেছে বিস্তৃর্ণ এলাকা। সাবলম্বী হয়ে উঠেছেন অনেকে। কোটি কোটি টাকার সবজি উৎপাদন হচ্ছে পঞ্চগড়ে।

এদিকে করলা আবাদ করেছে প্রতি বছরেই রেকর্ড করছেন তোজাম্মেল হক তেজা। দীর্ঘ ৮ বছর ধরে তিনি করলা চাষ করে লাখ লাখ টাকা আয় করে সাবলম্বী হয়ে উঠেছেন। এবারে তিনি ৫০ বিঘা জমিতে করলা চাষ করেছেন।তার ক্ষেতের করলা নিতে আসছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ব্যবসায়ীরা। তারা ট্রাকে করে শত শত মন করলা নিয়ে যাচ্ছেন এ সব ব্যবসায়ীরা।

পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার পানবারা গ্রামের বাসিন্দা তোজাম্মেল হক। তিনি ইজারা ভিত্তিক জমি নিয়ে করলা ক্ষেত গড়ে তুলেছেন। তার সে ক্ষেত সবুজে সবুজে ভরে উঠেছে। বদলে গেছে এলাকার প্রকৃতি। মনোরম পরিবেশে এক সৌন্দর্য্যময় হয়ে উঠেছে এলাকা। অনেকে দেখতেও আসছেন তার করলা ক্ষেত। আটোয়ারী উপজেলার লক্ষীপুর ও পাটশিরি এলাকায় তার এই করলার ক্ষেত।

তোজাম্মেল হক তেজা বলেন ‘ তার এই জমিতে কাজ করছেন ৭০ জন শ্রমিক। এদের দিন হাজিরা দিতে হয় ৩৫০ টাকা।তারা ক্ষেতের পরিচর্যা সহ করলা তোলেন।তিনি আরও বলেন‘ সব মিলিয়ে আমি ৫০ বিঘা জমিতে করলার চাষ করেছি। ব্যয় হয়েছে এ পর্যন্ত ৪০ লাখ টাকা ‘আরো ব্যয় হবে ১৫ লাখ টাকা। গত বছর করলার দাম একটু বেশি ছিলে এবারে কম। এখন ব্যবসায়ীরা প্রতি মন করলা কিনছেন তার কাছ থেকে ৮০০ টাকা থেকে ৯০০ শত টাকা পর্যন্ত।


করলা তোলা হবে দুই মাস। সব মিলিয়ে করলা তোলা যাবে ১৪ থেকে ১৫ বার। একটি ট্রাকে ৩০০ মন করলা লোড দেওয়া হয়। তিনি বলেন ‘ দাম বেশী হলে আমি ভালোই পাই ‘ গত বছর ২৭ লাখ টাকা লাভ করছি। এবার দাম একটু কম তো তাই একটু কম পাবো । ভালো দাম হলে বিঘাপ্রতি এক লঅখ টাকা করে লাভ হবে।

পঞ্চগড়ের সব এলাকাতেই এখন কৃষি আবাদে বিপ্লব ঘটেছে। উৎ’পাদিত হচ্ছে কোটি কােটি টাকার ফসলাদি। দেশের অর্থনীতিতে যোগ হচ্ছে বাড়তি রাজস্ব। যা দেশের উন্নয়ন তথা স্থানয়ি আর্থসামাজিক উন্নয়ন গতিশীল হয়ে উঠছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ