সাড়ে ৪ লক্ষ কোটি টাকার উন্নয়ন কর্মযজ্ঞে পালটে যাচ্ছে কক্সবাজার

আব্দুল আলীম নোবেল ও মোঃ মনছুর আলম (এম আলম):
বর্তমান সরকারের সু-দৃষ্টির কারণে উন্নয়ন কর্মযজ্ঞে পালটে যাচ্ছে পর্যটন রাজধানী খ্যাত কক্সবাজারের চিত্র। সেদিন আর বেশি দূরে নয়, রেল আসবে এই শহরে। কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে বোয়িং বিমান অবতরণ করবে। বিদ্যুৎ প্রকল্প, সাবরাং এক্সক্লুসিভ জোন, অর্থনৈথিক অঞ্চল, আশ্রয়ন প্রকল্প, সেনা ক্যান্টেন্টম্যান্ট, মেরিন ড্রাইভ সড়ক, হাইটেক পার্ক, জাতীয় সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সহ শতাদিক মেঘা প্রকল্পের কাজ শেষের দিকে। প্রকল্প গুলোর কাজ সম্পন্ন হলেই একেবারে পালটে যাবে চির চেনা এই জনপদের পুরানো চিত্র। জমি অধিগ্রহণ ও প্রকল্প ব্যায় প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষ কোটি টাকার এসব মেঘা প্রকল্পের কর্মযজ্ঞ চলছে পুরোদমে। কক্সবাজার জেলা প্রশাসন সূত্রে এসব মেঘা প্রকল্পের তথ্য জানা যায়। অচিরেই সৃষ্টি হবে ২ লক্ষাধিক মানুষের কর্ম সংস্থান। জেলা প্রশাসনের আওতাদিন এ প্রকল্প ছাড়াও কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক), স্থানীয় সরকার মন্ত্রাণালয়, সড়ক ও জনপদ বিভাগ, পানি উন্নয়ন বোর্ড এরও আরো লক্ষাধিক কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ চলছে এই কক্সবাজারে। যেটি বাংলাদেশ সরকারের অর্থবছরের বাজেটের কাছাকাছি। 
 
কক্সবাজার জেলা প্রশাসন মোঃ কামাল হোসেন বলেন, হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ চলছে কক্সবাজারে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বদান্যতায় পর্যটন নগরী কক্সবাজার একটি আধুনিক ও টেকসই উন্নয়নে সমৃদ্ধ জনপদে পরিনত হবে শীঘ্রই। এই প্রকল্প গুলো বাস্তবায়নে অত্যান্ত সতর্কতার সাথে পরিচালনার চেষ্টা করে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

সেনাবাহিনীর মেরিন ড্রাইভ নির্মাণ
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক বাস্তবায়িতব্য কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কনির্মাণ প্রকল্প-২ এর অনুকুলে ২য় পর্যায়ে অধিগ্রহণকৃত ইনানী-শিলখালীপর্যন্ত ২৪.০০ কি:মি: সড়কের ১৬৯.৭৩ একর জমির ২৬৪ কোটি টাকা ক্ষতিগ্রস্থদের অনুকুলে পরিশোধ করা হয়েছে। উক্ত জমি প্রত্যাশীসংস্থা ১৭ ইসিবি-কে হস্তান্তর করা হয়েছে । ২য় পর্যায়ের ২৪ কি.মি. রাস্তার মধ্যে ব্রীজ-কালভার্ট নির্মাণসহ রাস্তার কার্পেটং এর কাজ গত ২০১৬ সালেই শেষ হয়েছে। এছাড়া শিলখালী থেকে টেকনাফের সাবরাং পর্যন্ত ৩৫ কি.মি. সড়ক নির্মানের জন্য ২১৫.০৬১ একর জমি অদ্গিগ্রহনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। যদিও ক্ষতিগ্রস্থ ভূমি মালিকদের ক্ষতিপুরণ প্রদান করা হয়নি। ইতোমধ্যে শিলখালী থেকে টেকনাফের সাবরাং পর্যন্ত ৩৫ কি.মি. রাস্তার উপর অবস্থিত ব্রীজ-কালভার্ট নির্মাণ, কার্পেটিং সহ অন্যান্য সকল কাজ সম্পন্ন হয়েছে। রাস্তাটি সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের হলেও এর যাবতীয় নির্মাণ কাজ ১৬ ও ১৭ ইসিবি কর্তৃক সম্পাদিত হয়েছে। বিভিন্ন ধাপে মোট ৫৯ কি.মি. দীর্ঘ মেরিন ড্রাইভ নির্মাণ সম্পন্ন হওয়ায় বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৬ই মে, ২০১৭ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে শুভ উদ্বোধন করেছেন।

কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীতকরণ
কক্সবাজারবিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীতকরণ প্রকল্প

কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীতকরণ প্রকল্পের কার্যক্রম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ০২ জুলাই, ২০১৫ তারিখে শুভ উদ্বোধন করেছিলেন।বিমানবন্দরের রানওয়ে ৬৭৭৫ ফুট থেকে বাড়িয়ে ৯০০০ ফুট এ উন্নীত করা হয়েছে। গত ৬ ই মে বংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী  বোয়িং ৭৩৭ বিমান যোগে কক্সবাজার আন্ত্ররজাতিক বিমান বন্দরে অবতরন করেন এবং কক্সবাজার আন্ত্ররজাতিক বিমান বন্দরের শুভ উদ্বোধন করেন। 

প্রকল্পটিরলক্ষ্যসমূহঃ

(ক) প্রকল্পের আওতায় রানওয়ের দৈর্ঘ্য ৬৭৭৫ ফুট হতে ৯০০০ ফুটে বর্ধিতকরণ।

(খ) রানওয়ের চওড়া ১৫০ ফুট হতে ২০০ (শোল্ডারসহ) ফুটেবর্ধিতকরণ।

(গ) রানওয়ের শক্তিবৃদ্ধিকরণ।

(ঘ) এয়ারফিল্ড লাইটিং সিস্টেম স্থাপন।

(ঙ) ফায়ার ফাইটিং ভেহিকেল ক্রয়।

(চ) নব্যযোগাযোগ যন্ত্রপাতি যথা- আইএলএস, ডিভিও আর প্রভৃতি স্থাপনসহ অন্যান্য কাজ।



অগ্রগতিবর্তমানে রানওয়ে প্রশস্তকরণ, রানওয়ের দৈর্ঘ্য বর্ধিতকরণ, রানওয়ের সোল্ডার নির্মাণ কাজ ও ৩৫ প্রান্তে ওভার রানওয়ে Aggregate Base Courseএর কাজ সম্পন্ন হয়েছে।বর্তমানে Asphalt Base/Binder Courseএর কাজ চলছে।এছাড়াও Airfield Ground Lighting System, Nav-Aidএবং রানওয়ে ১৭ প্রান্তে রক্ষাপ্রদ বাঁধ নির্মাণের কাজ চলছে। 



     কক্সবাজার বিমানবন্দর উন্নয়ন প্রকল্প-১ম পর্যায় (এলজিইডি অংশ) এর আওতায় সদর উপজেলাধীন বাঁকখালী নদীর উপর কস্তুরীঘাটে ৫৯৫মিঃ দীর্ঘ Pre-Stressed Box Girder Bridge এবং সংযোগ সড়ক নির্মাণাধীন রয়েছে।নিমার্ণ কাজের জন্য মোট প্রকল্প ব্যয় থেকে ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।One stage Two Envelop Tendering Method (NCT)পদ্ধতিতে দরপত্র আহবানপূর্বক দরপত্র গ্রহণ করা হয়।দরপত্রের মূল্যায়ন প্রক্রিয়াধীন।ব্রীজের সংযোগ সড়কের ২৩.০২৬৬ একর জমি অধিগ্রহণের জন্য বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়া গিয়েছে।



প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে বোয়িং-৭৭৭ জাতীয় বিমান চলাচল করতে পারবে।রাজধানী ঢাকা ও অন্যান্য শহরসহ বর্হিবিশ্বের সাথে কক্সবাজারের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হবে যা দেশের পর্যটন শিল্প বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


কক্সবাজার আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরের সম্প্রসারিত রানওয়েতে সুপরিসর ৭৩৭-৮০০ বোয়িং বিমান চলাচল:

প্রকল্পের নাম কক্সবাজার বিমানবন্দর উন্নয়ন প্রকল্প (১ম পর্যায়)
প্রাক্কলিত ব্যয় টাকা ১১৯৩.৩২ কোটি (সংশোধিত)
তহবিলের উৎস ক) জিওবি: টাকা ৮০২.৬৬ কোটি
খ) সিএএবি’র নিজস্ব তহবিলঃ টাকা ৩৯১.৬৬ কোটি
বাস্তবায়নকাল (সংশোধিত) অক্টোবর ২০০৯ - জুন ২০১৮
ভূমি অধিগ্রহণ ৩২১.৩৪ হেক্টর
ভূমি উন্নয়ন ১৩,৫০,০০০ ঘনমিটার
ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান হাল্লা কর্পোরেশন (কোরিয়া), মীর আকতার হোসেন লিঃ (বাংলাদেশ) এবং সিয়োকওয়াং লিঃ (কোরিয়া) জেভি
বিদ্যমান রানওয়ে, টেক্সিওয়ে, রানওয়ে বৃদ্ধিকরন, রানওয়ে প্রশস্তকরন, রানওয়ে শোল্ডার, ওভাররান নির্মাণ ইত্যাদি ১.রানওয়ের দৈর্ঘ্য ২,০৬৫ মিটার (৬,৭৭৫ ফুট) হতে ২৭৪৩ মিটার (৯,০০০ফুট) এ বৃদ্ধিকরন।

২.রানওয়ের প্রস্থ ৩৮ মিটার (১২৫ ফুট) হতে ৪৫ মিটার (১৪৭ ফুট) এ   বৃদ্ধিকরন।

৩.রানওয়ের উভয় পার্শ্বে ৭.৫০ মিটার (২৫ফুট) চওড়া প্রায় ৫,৮০০মিটার (১৯,০২৪ ফুট) সোল্ডার নির্মাণ।

৪.       ৫০০ মিলি মিটার (প্রায় ২০ ইঞ্চি) পুরুত্বের এস্ফল্ট কনক্রীট দ্বারা রানওয়ের পিসিএন (Pavement Classification Number) ১৯ হতে ৯০ এ উন্নীত করন



খুরুশকুল আশ্রয়ণ প্রকল্প
 মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১০টি বিশেষ উদ্যোগের অন্যতম একটি অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্প খুরুশকুল আশ্রয়ণ প্রকল্প। কক্সবাজার বিমান বন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে রূপান্তরের লক্ষ্যে বিমান বন্দরটি সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। সে লক্ষ্যে বিমান বন্দরের আশে পাশের এলাকায় সরকারি খাস জমিতে বসবাসরত বাসিন্দাদের স্থানান্তরের প্রয়োজন হয়। উল্লেখ্য, ১৯৯১ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৪৪০৯টি পরিবার উক্ত স্থানে বসবাস করছিলেন।

ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ৪৪০৯টি পরিবার যাতে উদ্বাস্তু না হয় সেজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগে খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। উক্ত প্রকল্পে সরকারের বেশ কয়েকটি বিভাগ সমন্বিতভাবে কাজ করছে। ইতোমধ্যে মাটি ভরাটের কাজ শেষ হয়েছে।

এক নজরে খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্প

  • মোট জমির পরিমাণ : ২৫৩.৩৫০ একর।
  •  মাটি ভরাটের জন্য অনুমোদিত জমির পরিমাণ : ৪৪.৮৮ একর।
  •  আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের প্রকেৌশলী ও উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক যৌথভাবে চূড়ান্ত
    পরিমাপের পর মোট অনুমোদিত খাদ্যশস্যের পরিমাণ : ৬৭২৮.৯৮০ মে.টন।

  •  ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসন ও আশ্রয়ণ প্রকল্পের তত্ত্বাবধানে ৬৭২৮.৯৮০ মে.টন
     খাদ্যশস্য দ্বারা ৪৪.৮৮ একর ভূমির উন্নয়ন কাজ ১০০% সম্পন্ন হয়েছে।

  • অবশিষ্ট ২০৮.৪৭ একর জমি পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক নৌবাহিনীর মাধ্যমে বেড়ি বাঁধ নির্মাণ ও মাটি ভরাটের জন্য প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে এবং কাজ
      চলমান রয়েছে।

  • কক্সবাজার বিমান বন্দর সম্প্রসারণের লক্ষ্যে খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্পে
    পুনর্বাসনের জন্য উপকারভোগীর সংখ্যা : ৪৪০৯টি ভূমিহীন পরিবার।

  • মোট ভবনের সংখ্যা : ৫ তলা বিশিষ্ট ১৩৭টি।
  • শেখ হাসিনা টাওয়ার নামে ১০ তলা বিশিষ্ট একটি সুউচ্চ ভবন নির্মাণ করা হবে।
      সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ কর্তৃক উক্ত ভবনসমূহ নির্মাণ করা হবে।

খুরুশকুল আশ্রয়ণ প্রকল্পটিকে মূল শহরের সাথে সংযোগের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এর মাধ্যমে ব্রিজ ও সংযোগ সড়ক নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।


ক্রম বিবরণ প্রাক্কলিত টাকার পরিমাণ কাজের অগ্রগতি
খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় জেটিঘাট হতে প্রকল্প অফিস পর্যন্ত এইচবিবি রাস্তা নির্মাণ ৯,৯৫,৭২৯/- ২০%
কক্সবাজার সদর উপজেলাধীন বাঁকখালী নদীর উপর কস্তুরী ঘাটে ৫৯৫.০০ মিটার দীর্ঘ পিসি বক্স গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ ২০০.০০ কোটি টাকা কাজ আরম্ভের সম্ভাব্য তারিখ ১৫.০৭.২০১৭ খ্রি. এবং শেষ করার সম্ভাব্য তারিখ ১৫.০১.২০১৯ খ্রি.।
কৃষ্টের দোকান হতে সালেহ আহমেদ কোম্পানী পর্যন্ত এইচবিবি রাস্তা নির্মাণ। ১,৩৩,৫৮,৭৭৫.০০ টাকা ৮০%
খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্পে আলহাজ্ব জয়নাল আবেদীন সংযোগ সড়ক নির্মাণ ৮০.৩৬০ মে.টন ১০০%


প্রকল্পটিকে নদী ভাঙ্গন হতে রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় বেড়ি বাঁধ নির্মাণ ও অবশিষ্ট ২০৮.৪৭ একর জমিতে মাটি ভরাটের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড ও নৌবাহিনীর মাধ্যমে প্রতিরক্ষা বাঁধ ও খাল খননের জন্য বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্পের বিবরণ নিম্নরূপ:


ক্রম বিবরণ প্রকল্পের দৈর্ঘ্য/ আয়তন প্রাক্কলিত প্রকল্প ব্যয় কাজের অগ্রগতি
কক্সবাজার বিমান বন্দর উন্নয়নের জন্য সদর উপজেলার বাঁকখালী নদীর ডান দিকে স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ ৩.৮৯৪ কি.মি ২১০০০.০০ লক্ষ টাকা ডিপিএম পদ্ধতিতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ড  লি. কে কার্যাদেশ প্রদান করা হয়েছে। কাজের ভৌত অগ্রগতি ২০%।
খাল খনন ৩.৩০০ কি.মি
জমির মাটি ভরাট ২১২.০০০ একর
প্রাক্কলিত মাটির কাজ ৩৫,৬২,১০৭.০০ ঘনমিটার
সম্পাদিত মাটির কাজ ৮,৩২,৬৫৬.০০ ঘনমিটার
ইতোমধ্যে তৈরিকৃত সিসি ব্লকের সংখ্যা ২৪,১৬৩টি (অবশিষ্ট ৩,৪২,৩১৯টি)



নিরাপদ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এর মাধ্যমে ৯৭২.০০ লক্ষ টাকার বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। কাজের বিবরণ


ক্রম বিবরণ প্রাক্কলিত টাকার পরিমাণ কাজের অগ্রগতি
খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্পে পাম্প হাউস ও পানি সরবরাহ লাইন স্থাপন। ৯৭২.০০ লক্ষ টাকা


খুরুশকুল আশ্রয়ণ প্রকল্পে পুনর্বাসিতব্য জনসাধারণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গৃহীত পদক্ষেপসমূহ

খুরুশকুল আশ্রয়ণ প্রকল্পের জন্য নির্বাচিত ৪৪০৯টি পরিবারের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে স্কুল প্রতিষ্ঠা, স্বাস্থ্য সেবার জন্য কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন, বিনোদনের জন্য পার্ক নির্মাণসহ ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। উক্ত পরিবারসমূহের মধ্যে অধিকাংশই মৎস্যজীবি বিধায় জীবিকার সংস্থানের জন্য আধুনিক শুটকি পল্লী নির্মাণ করা হবে। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক নগরায়ণ পরিকল্পনায় নির্মিত উক্ত শুটকি পল্লীটি কক্সবাজার জেলার আকর্ষণীয় পর্যটন এলকায় পরিণত হবে।


মহেশখালী-আনোয়ারা গ্যাস সঞ্চালন পাইপ লাইন
খনিজ সম্পদ বিভাগের আওতায় জিটিসিএল কোম্পানী কর্তৃকবাস্তবায়িতব্যমহেশখালী-আনোয়ারা গ্যাস সংঞ্চালন পাইপ লাইন বাস্তবায়িতহচ্ছে। মহেশখালী উপজেলায় ৩১ কি:মি: ও পেকুয়া উপজেলায় ১৪ কি:মি: মোট ৪৫ কি:মি: গ্যাস সঞ্চালন পাইপ লাইন নির্মাণের জন্য ৮৫.৬৫ একর ভূমি অধিগ্রহণ এবং ১৪৯.৭৫ একর ভূমি হুকুম দখল করা হয়েছে।

বিগত ১৬/০২/২০১৬ ও ২৫/০৪/২০১৬ খ্রি. তারিখ প্রত্যাশী সংস্থার বরাবরে দখল হস্তান্তর করা হয়েছে এবং পাইপ লাইন স্থাপনের কার্যক্রম প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। কক্সবাজার জেলাধীন ৪৫ কিঃমিঃ পাইপলাইন নির্মাণ কাজ ফেব্রুয়ারী’১৬ মাসে শুরু হয়ে নভেম্বর’১৬ মাসে সমাপ্ত হয়। কক্সবাজার জেলাধীন ৩টি নদী (কোহেলিয়া, উজানটিয়া ও মাতামুহুরী) এর ক্রসিং কাজ নভেম্বর’১৬ মাসে সুসম্পন্ন হয়।প্রকল্প বাস্তবায়নের কারণে অধিগ্রহণকৃত ভূমির মালিকদের মধ্যে ৮০% ক্ষতিপূরণের অর্থ প্রদান করা হয়েছে। অবশিষ্ট অর্থপ্রদানের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

মহেশখালী উপজেলার সোনাদিয়ার উত্তরে এবং ঘটিভাঙ্গা মৌজার ৩নং সীটের পশ্চিমে (প্রস্তাবিত চর মকবুল মৌজার) বিএস ২০০১ নং দাগ সংলগ্ন জরিপ বিহিন চরভরাট জমি চর্চা ম্যাপের মাধ্যমে চিহ্নিত ২০০১/২ দাগের জরিপ বর্হিভুত চরভরাট ৫০০.০০ একর জমি অকৃষি খাস জমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত নীতিমালা-১৯৯৫ এর ১০ নং অনুচ্ছেদের আলোকে বাংলাদেশ তৈল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ কর্পোরেশন (পেট্রোবাংলা) এর অনুকূলে (বিনা সালামী/প্রতীকী মূল্যে) চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য এ কার্যালয়ের ১৭/১১/২০১৬ তারিখের ১৩৫২ নং স্মারক মুলে দীর্ঘমেয়াদী (অকৃষি) বন্দোবস্ত মামলা নং-০৪/২০১৬ (মহেশখালী) ভূমি মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে। তাছাড়া জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় Land Based LNG Terminalনির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই সংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।
 
প্রকল্পের আওতায় মহেশখালী উপজেলায় ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ক্ষমতা সম্পন্ন একটিCustody Transfer Metering Station (CTMS) স্থাপনের লক্ষ্যে বর্তমানে ভূমি উন্নয়ন কাজ চলমান আছে।মহেশখালী উপজেলার দক্ষিণে সোনাদিয়া এলাকায় অর্থাৎ পাইপ লাইন
স্থাপনের প্রবেশদ্বারে যুক্তরাষ্টেরExcelerate Energy Bangladesh Limited(EEBL) কর্তৃকBOOT পদ্ধতিতেLNG টার্মিনালের নির্মাণের নিমিত্তে ১৮জুলাই ২০১৬ EEBLএর সাথে BOOTভিত্তিতে মহেশখালী তে দৈনিক ৫০০ এমএমসিএফ ক্ষমতা সম্পন্ন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। মার্চ ২০১৮ নাগাদ ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল হতে জাতীয় গ্রীডে গ্যাস সরবরাহ সম্ভব হবে বলে আশা করা যায়। ডিসেম্বর’১৭ সাল নাগাদ মহেশখালীস্থ CTMSএর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে মহেশখালীর অদূরে গভীর সমুদ্র বন্দরে পেট্রোবাংলা কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন এলএনজি টার্মিনাল তথা Floating Storage and Re-gasification Unit (FSRU)হতে দৈনিক ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মহেশখালী-আনোয়ারা পাইপ লাইনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রীডে সঞ্চালন করা সম্ভব হবে। EEBL, Bathymetry/Geophysical studyসম্পন্ন  করেছে এবং তদানুযায়ী টার্মিনালের স্থায়ী অবকাঠামোর Technical Designএর জন্য বর্ণিত স্থানটি কারিগরীভাবে উপযোগী মর্মে পেট্রোবাংলাকে অবহিত করেছে। EEBLগত ২৪/১১/১৬ হতে Geotechnical studyশুরু করে এবং ১৪/১২/১৬ তারিখ Geotechnical Field Work  সম্পন্ন হয়। বর্তমানে Design, Drawingএর কাজ এবং long lead item এর চুক্তি সম্পাদনের কাজ চলমান রয়েছে।

EEBLএর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের চূড়ান্ত অবস্থান হলোঃ 377655.70 E, 2381761.00 N. উল্লেখিত অবস্থানে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের জন্য নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র প্রদানের অনুরোধ জানিয়ে পত্র প্রেরণ করা হবে। এছাড়া সমুদ্রবক্ষে প্রায় ৭.৫ কিমি subseaপাইপ লাইন স্থাপন করা হবে।


মহেশখালী-আনোয়ারা গ্যাস সঞ্চালন পাইপ লাইনঃ

প্রকল্পের নাম মহেশখালী-আনোয়ারা গ্যাস সঞ্চালন পাইপ লাইন।
মন্ত্রণালয়ের নাম          বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় (জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ বিভাগ
বাস্তাবয়নকারী সংস্থা বাংলাদেশ তৈল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন  (পেট্রোবাংলা)/গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানী লিমিটেড (জিটিসিএল)
প্রকল্পের অবস্থান কক্সবাজার জেলাধীন মহেশখালী ও পেকুয়া উপজেলা এবং চট্টগ্রাম জেলাধীন বাঁশখালী ও আনোয়ারা উপজেলা
অর্থের উৎস জিওবি এবং জিটিসিএল-এর নিজস্ব অর্থয়ান
প্রাক্কলিত ব্যয় ১০৩৯.৬৭ কোটি টাকা
প্রকল্পের মেয়াদ আরম্ভ জুলাই ২০১৪
প্রকল্পের মেয়াদ সমাপ্তি   ডিসেম্ভর ২০১৭





ইনস্টলশেন অফ সিংগেল পয়েন্ট মুরিং
ইর্স্টার্ন রিফাইনারী লিঃ চট্টগ্রাম কর্তৃক বাস্তবায়িতব্য সিংগেল পয়েন্ট মুরিং প্রকল্পের জন্য মহেশখালীর ধলঘাটা, কালারমারছড়া ও কালিগঞ্জ মৌজা ৩২.৪০৩০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। এ প্রকল্পের নিমিত্তে হুকুমদখলকৃত জমির পরিমাণ ২৪৫.০৯ একর। প্রত্যাশী সংস্থা প্রকল্পের কার্যক্রম অবিলম্বে চালু করবে র্মমে জানিয়েছে।

কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলায় এসপিএম (ইন্সটলেশন অব সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং) প্রকল্প

প্রকল্পের নাম: ইন্সটলেশন অফ সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং উইথ ডাবল পাইপ লাইন
মন্ত্রণালয়ের নাম: বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়
বাস্তাবয়নকারী সংস্থা:     বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন এর পক্ষে ইস্টার্ণ রিফাইনারী লিমিটেড
অর্থের উৎস:     জিওবি, বিপিসি এবং এক্সিম ব্যাংক (চায়না)
প্রাক্কলিত ব্যয়:   ৫৪২৬.২৬ কোটি টাকা
প্রথম সংশোধিত ডিপিপি অনুমোদন: ১৪/০৮/২০১৬
প্রশাসনিক অনুমোদন:    ১৮/০৮/২০১৬

কারিগরী তথ্যাবলী

বাৎসরিক আনলোডিং ক্ষমতা (মোট): ৯ মিলিয়ন মেট্রিক টন
বাৎসরিক আনলোডিং ক্ষমতা (ক্রুড অয়েল): ৪.৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন
বাৎসরিক আনলোডিং ক্ষমতা (ডিজেল):  ৪.৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন
মোট পাইপ লাইন ২২০ কি.মি. (আনুমানিক)
এইচ ডিডি ক্রসিং: মাতারবাড়ী খঞঊ, মাতারবাড়ী চ্যানেল, মাতারবাড়ী  
ভিলেজ, গহিরা খঞঊ, কর্ণফুলি নদী।

মহেশখালী ডিজিটাল আইল্যান্ড
তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সরকারি সেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার, কুরিয়ান টেলিকম ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার উদ্যোগে এবং জেলা প্রশাসকের সহযোগিতায় ‘ডিজিটাল আইল্যান্ড-মহেশখালি’ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। উক্ত প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পর ২০১৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি কুরিয়ান টেলিকম, আইওম এবং বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় সমযোতা স্বারক সম্পন্ন হয়। কুরিয়ান টেলিকম ইতোমধ্যে কুরিয়ার গিগা আইল্যান্ডে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে। ডিজিটাল আইল্যান্ড-মহেশখালি প্রকল্পটি ২০১৮ সালের জুন মাসে শেষ হবার কথা রয়েছে এবং এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২২কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা। এই প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিকভাবে মহেশখালি উপজেলার ৩টি ইউনিয়ন যথা মহেশখালি পৌরসভা, বড় মহেশখালি ও ছোট মহেশখালির ২৫টি সরকারি অফিসকে হাই-স্পিড অনলাইন নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হবে। এর মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য, তথ্য ও ই-কমার্স এই ৪টি সেক্টরের সকল সেবা ঘরে বসে পাওয়া সম্ভব হবে। প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রমের ক্ষেত্রে শ্রেণিকক্ষে মাল্টিমিডিয়া ব্যবহারের মধ্যমে পাঠদান, দূর শিক্ষা এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ প্রদান কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের ক্ষেত্রে টেলি-মেডিসিন, বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক ডিভাইজের মাধ্যমে রোগ নির্ণয় কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া ব্যবসা বানিজ্যের প্রসারের জন্য ই-কমার্স প্লাটফরম স্থাপন করা হয়েছে। এতে প্রায় মহেশখালি উপজেলার ৩০% জনগণ ডিজিটাল আইল্যান্ডের সুবিধা পাচ্ছেন।
 
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গত ২৭ এপ্রিল, ২০১৭ খ্রি. তারিখে ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে ‘ডিজিটাল আইল্যান্ড-মহেশখালি’ প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করেন।

দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন নির্মাণ
দোহাজারী-কক্সবাজাররেললাইন নির্মাণ প্রকল্পঃ 
চট্টগ্রামের দোহাজারী হতে রেললাইনটি শুরু হয়ে  কক্সবাজার জেলার চকরিয়া- রামু উপজেলার অন্তর্ভুক্ত হয়ে কক্সবাজার সদর পর্যন্ত প্রায় ১১০ কি.মি. দীর্ঘ রেল লাইন নির্মাণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। কক্সবাজার জেলার ৩৩টি মৌজার প্রায় ৭২ কিমি দীর্ঘ রেললাইন নির্মাণের জন্য চকরিয়া, রামু ও কক্সবাজার সদর উপজেলায় ৩টি এলএ কেস এ অধিগ্রহণ কার্যক্রম শুরু করা হয়। 


 বন বিভাগ ১৬৫.১১ একর
 জেলা পরিষদ ১.৮৬ একর
 ইউনিয়ন পরিষদ ১.৫৭ একর
 পানি উন্নয়ন বোর্ড ৬.১৫ একর
 সড়ক বিভাগ ৪.৬৬ একর
 কৃষি বিভাগ ১০.৫৩ একর

এ তিনটি এলএ কেসে মোট জমির পরিমাণ ১০৭৩  একর।তন্মধ্যে  ৬টি সংস্থার মোট ১৮৯.৮৮ একর জমি রয়েছে।
এশিয়ান ডেভেলপম্যান্ট ব্যাংক(এডিবি) প্রকল্পটিতে অর্থায়ন  করছে।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের  কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ শাখা  এবং রেলওয়ের সমন্বয়ে যৌথ তদন্তের কাজ শেষ পর্যায়ে  রয়েছে। বর্তমানে অধিকতর যাচাই বাছাই কাজ চলছে। ১৫মার্চ’১৭ এর মধ্যে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রস্তাব ভূমি মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হবে। ইতোমধ্যে ভূমি অধিগ্রহণের জন্য মোট ৯৩১ কোটি টাকা নথিখাতে জমা প্রদান করা হয়েছে।আশা করা হচ্ছে আগামী জুন মাসের মধ্যে ভুমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে।

বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন
 বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান- (বিকেএসপি) স্থাপন প্রকল্পঃ  
রামু উপজেলায় জোয়ারিয়ানালায় নোনাছড়ি মৌজায় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আওতায় বিকেএসপি স্থাপনের জন্য ২৯.৮৫ একর জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ইতোমধ্যেই অধিগ্রহণভুক্ত জমির মালিকদের ৩ ধারা নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে।

কক্সবাজার শেখ কামাল আর্ন্তজাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম এবং ক্রিকেট কমপ্লেক্স
কক্সবাজার ক্রিকেট স্টেডিয়াম নামে পরিচিত শেখ কামাল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামটি বাংলাদেশের পর্যটন শহর কক্সবাজারের একটি নতুন উন্নত ক্রিকেট স্টেডিয়াম। এটি কক্সবাজার গল্ফ কোর্স থেকে লিজ নেওয়া জমিতে নির্মিত হয়েছে। ২০১৪ আইসিসি ওয়ার্ল্ড টি-টোয়েন্টির জন্য স্টেডিয়ামটি একটি শর্টলিস্টেড ভেন্যু ছিল, তবে টুর্নামেন্টের সময়মত মাঠ নির্মান না হওয়ায় এটিতে তেমন কোন ম্যাচ আয়োজন করতে পারেনি। স্টেডিয়ামে খেলা প্রথম ম্যাচটি ছিল ৫ মার্চ ২০১৪-তে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে মহিলাদের ওয়ানডে আন্তর্জাতিক ম্যাচ। সেদিন দুটি ম্যাচ এক একটি করে জিতেছে। বর্তমানে ভেন্যুটি অনূর্ধ্ব -১৯ ওয়ানডে এবং বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব -১৯ এবং বাংলাদেশ এ দল খেলে অনানুষ্ঠানিক টেস্ট ম্যাচ আয়োজন করতে ব্যবহৃত হয়েছে।

মহেশখালী মাতারবাড়ী-এ ১২০০ মেঃওঃ কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রঃ
জাইকা-এর অর্থায়নে কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানী বাংলাদেশ লি. কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ১২০০ মেঃওঃ কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পনির্মাণের নিমিত্তে মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী মৌজায় অধিগ্রহণকৃত ১৪১৪.০৫ একর ভূমি গত ১৪/০৮/২০১৪ তারিখ প্রত্যাশী সংস্থাকে দখল হস্তান্তর করা হয়েছে। এ পর্যন্ত ৮০% ভূমির মালিকদের মধ্যে ক্ষতিপূরণের অর্থ প্রদান করা হয়েছে।ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান পেন্টা-ওশান কর্তৃক প্রাথমিক পর্যায়ের নির্মাণ কাজসমূহ (Temporary channel, বাঁধ, ল্যান্ডিং জেটি, অফিস বিল্ডিং) ৯০% সম্পন্ন হয়েছে।

এছাড়া মাতারবাড়ীর গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের লক্ষ্যে অস্থায়ী চ্যানেল ড্রেজিং কার্যক্রম (দৈর্ঘ্য ২৭৫০মিটার, প্রস্থ ১০০মিটার এবং গভীরতা ৭ মিটার) ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
মূল কাজ বাস্তবায়নের জন্য ইতোমধ্যে নির্বাচিত ০২টি প্রতিষ্ঠান Sumitomo Corporation, Marubeni Corporation কর্তৃক দরপত্র প্রেরণ করা হয়েছে। টেকনিক্যাল ইভ্যালুয়েশন ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। বর্তমানে আর্থিক মূল্যায়নের কাজ চলমান রয়েছে।
প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিকভাবে ৪৩টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে পুনর্বাসন করা হবে। সর্বশেষ অবস্থাঅনুযায়ীবর্তমানে পুনর্বাসনের নিমিত্তেঅধিগ্রহণকৃত ৩.৬৯ একর জমির ক্ষতিপূরণ বাবদ ১,৩৩,৫৪,৫৩৫/১৩ টাকা নথিখাতে জমা আছে এবংক্ষতিপূরণ প্রদানের কার্যক্রম চলমানরয়েছে।অচিরেইপ্রত্যাশী সংস্থাকে দখল হস্তান্তর করা হবে।

এল.এন.জি ও কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এর এল.এন.জি ও কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প :

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, কর্তৃক এল এন জি ও কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য মহেশখালী উপজেলার ০৬ মৌজায় (হোয়ানক, হেতালিয়া, কালারমারছড়া, হরিয়ারছড়া, পানিরছড়া, অমাবশ্যাখালী) এল.এ মামলা ০৪/১৩-১৪ মুলে ৫৬৪৬.৯৫ একর জমি অধিগ্রহণের চুড়ামত্ম অনুমোদন পাওয়া গেছে। অধিগ্রহনকৃত জমির মুল্য মৌজা রেইট অবিশ্বাস্যভাবে কম হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ জমির মালিকদের প্রকৃত ক্ষতিপূরণের প্রদানের লক্ষে মুল্য নির্ধারণের জন্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত কমিটি ইতোমধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনটি চুড়ামত্ম অনুমোদনের পর প্রাক্কলিত মুল্য নির্ধারণ করা হবে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৮৫০০ মে. ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে মর্মে জানা যায়।

নৌবাহিনীর সাব-মেরিন ঘাটি নির্মাণ
 এই প্রকল্পের জন্য পেকুয়া উপজেলার মগনামা মৌজার ৩৩৩.৭৩ একর জমি অধিগ্রহণের জন্য ভুমি মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়াগিয়েছে এবং প্রত্যাশি সংস্থা কর্তৃক প্রাক্কলিত টাকা জমা প্রদান করা হয়েছে ।ক্ষতিগ্রস্থ জমির মালিকদের নিকট ক্ষতিপূরনের টাকা প্রদান করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অফিস নির্মাণ
 বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কুতুবদিয়া উপজেলায় ০.৩৩ একর ভূমিঅধিগ্রহণের নিমিত্ত ভূমি বরাদ্দ কমিটির সভায় অনুমোদন করা হয়েছে। পরবর্তী কার্যক্রম চলমান রয়েছে।





১২০০ মে.ও. কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ
ইলেক্ট্রিক জেনারেশন কোম্পানী বাংলাদেশ লি: কর্তৃক ১২০০.০০ মে. ওয়ার্ড কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য পেকুয়া উপজেলায় উজানটিয়া’র করিয়ারদিয়া মৌজায় ১৫৬০.০০ একর জমি অধিগ্রহণের প্রশাসনিক অনুমোদন পাওয়া গেছে এবং প্রকল্পের অধিগ্রহন কার্যক্রম চুড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।


সাবরাং এক্সক্লুসিভ অর্থনৈতিক অঞ্চল
 বাংলাদেশ অর্থনৈতিক জোন অথরিটি কর্তৃক কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলাস্থ সাবরাং মৌজায় প্রায় ১১৬৪.৮৫২২ একর জমিতে ‘সাবরাং অর্থনৈতিক অঞ্চল’ স্থাপনের নিমিত্ত ভুমি মন্ত্রণালয়ের চুড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার পর রেজিস্ট্রি প্রক্রিয়া সম্পন্নপূর্বক বর্ণিত জমি ইতোমধ্যেই বেজা’র অনুকুলে হস্তান্তর করা হয়।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৬ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে উদ্বোধন করা হয়েছে।উপর্যুক্ত ১১৪৭ একর জমির মধ্যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এর অনুকূলে ৮৮২.২৬ একর খাসজমিবন্দোবস্ত প্রদান এবং উক্ত কর্তৃপক্ষের বরাবরে খতিয়ান সৃজন করা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের ২২.৬০ একর জমি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক অনুমোদনক্রমে রিজিউমপূর্বক ভূমি মন্ত্রণালয় হতে অনুমোদন পাওয়া গিয়েছে। শীঘ্রই এ সংক্রান্তডিড সম্পাদন করা হবে। একই এলাকাভূক্ত ৬০.৫০ একর জমি সাবরাং ট্যুরিজম পার্কের জন্য অধিগ্রহণ করে বেজার নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে, যা গেজেট প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে।

সড়ক বিভাগ কর্তৃক ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে বরাদ্দকৃত ২০১০.০০ লক্ষ টাকায় ৮.০০ কিমি দৈর্ঘ্যের সড়ক নির্মাণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড কর্তৃক টেকনাফ-১ উপকেন্দ্র হতে সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক অর্থনৈতিক অঞ্চল পর্যন্ত ১২.০২৯ কিমি ৩৩কেভি ডবল সার্কিট লাইনের কার্যাদেশ প্রদান করা হয়েছে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য সকল খুঁটি স্থাপন করা হয়েছে।সাবরাং ট্যুরিজম পার্কের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে এলজিইডি কর্তৃক মোট ০৪.৬৩ কোটিটাকাব্যয়ে ৩টি সড়কের ৩.৬৯ কি.মি. সংযোগ সড়ক উন্নয়নের জন্য কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সাবরাং ট্যুরিজম পার্কের ভাঙনরোধে অস্থায়ী প্রতিরক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ১৪.৫০ কোটি টাকা বরাদ্দপ্রাপ্ত হয়েবেজার সভায় স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং তদানুযায়ী কার্যক্রম গ্রহণের জন্য টেকনিক্যাল কমিটিকে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে।

জালিয়ার দ্বীপ এক্সক্লুসিভ “নাফ ট্যুরিজম পার্ক”
টেকনাফের জালিয়ারদ্বীপে ‘‘নাফ ট্যুরিজম পার্ক’’ স্থাপনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এর অনুকূলে ২৭১.৯৩ একর খাসজমি দীর্ঘমেয়াদী বন্দোবস্ত প্রদান করা হয়েছে। নাফ ট্যুরিজম পার্ক পর্যটকদের নিকট আকর্ষনীয়ভাবে গড়ে তোলার জন্য বন বিভাগের ২১.১২ একর
ও জালিয়ার দ্বীপের ২৭১.৯৩ একরসহ সর্বমোট ২৯৩.০৫ একর জমি জার্মান ভিত্তিক একটি কোম্পানীর মাধ্যমে সম্ভাব্যতা যাচাই (Feasibility Study)সম্পন্ন হয়েছে।
উক্ত ট্যুরিজম পার্কটি বিদেশি পর্যটকদের নিকট আকর্ষনীয় করে তোলার জন্য কেবল কার, প্যারা সেইলিং, স্কুবা ডাইভিং, সি-ক্রুসিং সহ অত্যাধুনিক সুযোগ সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে বাস্তবায়ন কার্যক্রম খুব দ্রুত শুরু হবে । ইতোমধ্যে বেজা কর্তৃক মাটি ভরাটসহ অন্যান্য উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের নিকট টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি আহবান করা হয়েছে। সাবরাং ও জালিয়ারদ্বীপ ট্যুরিজম পার্ক এলাকায় সুপেয় পানির অনুসন্ধানে ৮টি পরীক্ষামূলক নলকূপ স্থাপন করার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রস্তাব প্রেরণ করা হয়েছে। ‘বেজা’ এর চাহিদা অনুযায়ী মার্চ’১৭ এর মধ্যে নাফ নদী ক্রসিং করে ২ মেঃওঃ লোড সরবরাহের জন্য ১১ কেভি সাবমেরিন ক্যাবল লাইন নির্মানের ড্রইং, ডিজাইন ও বিওকিউ বাপবিবো বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে।

এক নজরে নাফ ট্যুরিজম পার্ক

প্রকল্পের নাম:             নাফ ট্যুরিজম পার্ক উন্নয়ন

(ক্যাবেল কার ,ভূমি উন্নয়ন, জেটি, বাঁধ ও ঝুলন্ত ব্রীজ নির্মাণ)
মন্ত্রণালয়ের নাম:         প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
বাস্তাবয়নকারী সংস্থা:      বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ(বেজা)।
পার্কের অবস্থান:           নাফ নদীর বাংলাদেশ অংশে টেকনাফ উপজেলার জালিয়ারদ্বীপ নামক স্থানে অবস্থিত
অর্থের উৎস:               জিওবি/উন্নয়ন সহযোগী ।
প্রাক্কলিত ব্যয়:             Boot ভিত্তিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে বিধায় সরকারের কোন আর্থিক

সংশ্লিষ্টতা নেই।
প্রকল্পের মেয়াদ:           ২০১৭-২০১৯
উন্নয়ন ব্যয়:                ১৭০ কোটি টাকা
 
মহেশখালী উপজেলায় ০৪টি অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন
অধিকন্তু বাংলাদেশ অর্থনৈতিক জোন অথরিটি কর্তৃক মহেশখালী উপজেলায় আরও ০৪টিঅর্থনৈতিক অঞ্চল ইতোমধ্যেই অনুমোদিত হয়েছে। ০৪টি অর্থনৈতিক অঞ্চলেরতথ্যাবলী নিমণরূপঃ

ক্র: নং
প্রকল্পের নাম ও অবস্থান
প্রস্তাবিত জমির পরিমাণ আনুমানিক
মন্তব্য
০১
কক্সবাজার ফ্রি ট্রেড জোন।
· হামিদরদিয়া মৌজা  (৮৪২.৮১ একর)
· কুতুবজোম মৌজা  (২২৮৩.৩৩ একর)
· ঘটিভাংগা মৌজা(৮৬৫৮.৬৪ একর)
১১৭৮৪.৭৮ একর
·  বিএস খাস  ১৪৮৪.৭৪ একর
·  চরভরাট(জরিপবিহিন) ১০৩০০.০৪ একর
 ০২
মহেশখালী-১(অর্থনৈতিক অঞ্চল)
· ছোটমহেশখালী মৌজা(৪৩০.৬২ একর)।
· পাহাড় ঠাকুরতলা মৌজা(১৪১.৮০ একর)
· ঠাকুরতলা মৌজা(৫০৭.০৮ একর)
· গোরকঘাটা মৌজা(৩৫৯.০২ একর)
১৪৩৮.৫২ একর
· বিএস খাস  ৫৩৮.৫২ একর
· চরভরাট(জরিপবিহিন) ৯০০.০০ একর
০৩
মহেশখালী-২(অর্থনৈতিক অঞ্চল)
· উত্তর নলবিলা মৌজা।
৮২৬.৮৬ একর
·  বিএস খাস ২৮৫.০১ একর
·  বিএস ব্যক্তি ৫৪১.৮৫ একর
০৪
মহেশখালী-৩(অর্থনৈতিক অঞ্চল)
·  ধলঘাটা মৌজা।
৬৭০.৫৮ একর
·  বিএস খাস  ২২৫.২৯ একর
·  বিএস ব্যক্তি ২৮৮.০ একর
·  বিএস(পানি ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড) ২৬৩.২৯ একর


পেকুয়া-ইটমনি-বদরখালী- মহেশখালীস্থ ইউনুচখালী- কোহেলিয়া নদী পাড় হয়ে-মাতারবাড়ী সংযোগ সড়ক নির্মাণঃ
মাতারবাড়ী কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সংযোগ সড়ক নির্মাণের লক্ষে সড়ক ও জনপথ বিভাগ কর্তৃক বাসত্মবায়িতব্য চকরিয়াস্থ একতা বাজার হয়ে পেকুয়া-ইটমনি-বদরখালী- মহেশখালীস্থ ইউনুচখালী- কোহেলিয়া নদী পাড় হয়ে-মাতারবাড়ী পর্যমত্ম সংযোগ সড়কটি ইতোমধ্যেই একনেক কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে। প্রকল্পটি মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৬০২ কোটি টাকা। এতে কোহেলিয়া নদীর উপর ৬৪০ মিটার দীর্ঘ একটি ব্রীজ ও ৪৩.৪৪ কি.মি. দীর্ঘ সড়ক নির্মাণ করা হবে। এর জন্য প্রায় ৯০.০০ একর ভুমি অধিগ্রহণ করা হবে। শ্রীঘ্রই সংযোগ সড়কের নির্মাণ কাজ শুরম্ন হবে।


হাইটেক পার্ক নিমার্ণ
থ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ র্কতৃক কক্সবাজার জলোর রামু উপজলোয় দক্ষিন মঠিাছড়ি ইউনয়িনে ৮.১৬ একর জমিতে  বাস্তবায়নাধীন হাইটকে র্পাক স্থাপনরে নিমিত্তে  ইতোমধ্যে প্রকল্পের জমি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বভিাগ-কে হস্তান্তর করা হয়েছে ।

প্রকল্পের পটভূমি
আইসিটি ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি বিভাগে হাই-টেক পার্ক স্থাপন করতে হবে এবং পরবর্তীতে প্রতিটি জেলায় পর্যায়ক্রমে হাই-টেক পার্ক স্থাপন করতে হবে।
প্রকল্পের উদ্দেশ্য
১। বাংলাদেশের আইটি(ইনফরমেশন টেকনোলজি)/এনাবলড সার্ভিসেস )শিল্পকে পরিচালনার জন্য স্থানীয় ও বৈদেশিক কোম্পানীকে আকৃষ্টকরন
২। আইটি আইটিইএস/বিজনেস প্রোসেস আউট সোর্সিং (বিপিও) হাব তৈরি

জমির  পরিচিতি
কক্সবাজার জেলা হতে আনুমানিক ৮ কিমি দুরে কক্সবাজার টেকনাফ সড়কের ডান পার্শ্বে দক্ষিন মিঠাছড়ি ইউনিয়নে বনতলা নামক স্থানে অবস্থিত ৮.০৭ একর জমি
মন্ত্রনালয়ের নাম
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ
বাস্তাবয়নকারী সংস্থা
বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ

অর্থের উৎস
জিওবি

মোট প্রকল্প ব্যয় (কোটি টাকায়)
মোট      ১৭৯৬.৪০ কোটি টাকা
               ২৫২.৪০ জিওবি
               ১৫৪৪.০০  প্রকল্প সাহায্য  ভারতের ২য় লাইন অব ক্রেডিট এর অর্থায়ন

প্রকল্পের মেয়াদ
শুরুঃ  ০১ জুলাই ২০১৭ খ্রি.
সমাপ্তিঃ ৩০ জুন ২০২০ খ্রি





তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ কর্তৃক কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলায় দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নে ৮.১৬ একর জমিতে বাস্তবায়নাধীন হাইটেক পার্ক স্থাপনের নিমিত্ত ইতোমধ্যে প্রকল্পের জমি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ-কে হস্তান্তর করা হয়েছে।
উক্ত প্রকল্পের সম্ভাবতা যাচাই কার্যক্রমও সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পের ডিজাইন ও প্রাক্কলন তৈরীর কাজ চলমান রয়েছে। খুব দ্রুত প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। 

জাতীয় সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট
জাতীয় সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট স্থাপনঃ
বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে জাতীয় সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট স্থাপনের নিমিত্ত রামু উপজেলার পেচারদ্বীপে পেচারদ্বীপ মৌজায় ২৯.৫০ একর জমি উক্ত মন্ত্রণালয়ের অনুকুলে বন্দোবসত্ম প্রদান করা হয়। উক্ত প্রকল্পটি প্রায় ৮০৭৫.০০ লক্ষ টাকা ব্যয় পূর্বক নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক উদ্বোধন করা হয়। বর্তমানে গবেষণা ইনস্টিটিউটের কার্যক্রম চলমান রয়েছে


বদরখালী সড়কের বাটাখালী ব্রীজের ২ কি: মি: এপ্রোচে সড়ক নির্মাণ
বাংলাদেশ সড়ক বিভাগ কর্তৃক বাস্তবায়িতব্য চকরিয়া উপজেলায় বদরখালীস্থ বাটাখালীব্রীজের ২ কি: মি: এপ্রোচ সড়ক নির্মাণের জন্য ০.১৬২২ একর ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে । বর্তমানে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হয়েছে । 


খুরুসকুল-চৌফলদন্ডী-ঈদগাঁও সড়কের চৌফলদন্ডী ব্রীজ এপ্রোচ সড়ক নির্মাণ
প্রকল্পের উদ্দেশ্য ট্র্যাফিক যানজট ও ট্রাফিক সুরক্ষা উন্নত করা, যা মাতারাবাড়ি বন্দর থেকে চট্টগ্রামে মাল পরিবহনের জন্য অন্যতম প্রধান উদ্বেগ, যানজটে নগর অঞ্চলের রাস্তাগুলির উন্নতি করে। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য