মুজিববর্ষে পঞ্চগড়ে বঙ্গবন্ধু হিমালয় ওয়াচ টাওয়ার এন্ড কমপ্লেক্স”স্থাপনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন


মো. কামরুল ইসলাম কামু পঞ্চগড় প্রতিনিধিঃ

পর্যটন বান্ধব পঞ্চগড়” গড়ে তোলার লক্ষে-মুজিববর্ষে পঞ্চগড়ে “বঙ্গবন্ধু হিমালয় ওয়াচ টাওয়ার এন্ড কমপ্লেক্স” স্থাপনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে পঞ্চগড় পর্যটন উন্নয়ন পরিষদ নামে একটি সংগঠন। বুধবার দুপুরে পঞ্চগড় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে এক সংবাদ সমে¥লনের আয়োজন করে তারা। 

সংবাদ সম্মেলনে  সংগঠনটির উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতি ও পঞ্চগড় মকবুলার রহমান সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ মো দেলোয়ার হোসেন প্রধান,নির্বাহী কমিটির সভাপতি ও পঞ্চগড় মহিলা কলেজের অর্থনীতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো হাসনুর রশীদ বাবু, সাধারণ সম্পাদক ও ফুটকিবাড়ী স্কুল এন্ড কলেজের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক মো শাহ্ আলম,সাবেক জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবু জীবধন বর্মন,পঞ্চগড় জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক এডভোকেট আবু বক্কর সিদ্দিক,জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি সাবদারুল ইসলাম মুক্তা,পঞ্চগড় জেলা মোটর পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের (২৬৪) সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম,পঞ্চগড় প্রেস ক্লাবের সভাপতি সফিকুল আলম, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বাবু প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

এসময় সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা জানান, পঞ্চগড়ে প্রতিনিয়তই হাজারো পর্যটকের আগমন ঘটে। জেলার পর্যটন শিল্প বিকাশে ও পঞ্চগড়কে পর্যটন বান্ধব গড়ে তোলার লক্ষে মুজিববর্ষে পঞ্চগড়ে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের পদচিহ্ন বিজরিত স্থান পঞ্চগড়ে  “বঙ্গবন্ধু হিমালয় ওয়াচ টাওয়ার এন্ড কমপ্লেক্স স্থাপন করে জেলার পর্যটন শিল্প বিকাশ করার জোড় দাবী জানানো হয়। যাতে করে পর্যটকেরা পঞ্চগড়ের নৈর্সগিক দৃশ্য উপভোগ সহ জেলায় বঙ্গবন্ধুর নানা স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য স্থায়ী ব্যবস্থা করা হয়। 

এ কমপ্লেক্সের প্রাথমিক ধারণা দিয়ে বক্তারা জানান, কমপ্লেক্সেটি ২৫-৩০ হাজার বর্গফুটের ১০-১৫ তলা বিশিষ্ট ভবন হবে এবং সেটির উচ্চতা হবে ১০০-১৫০ ফুট। যেটি হবে পঞ্চগড়ের সর্বোচ্চ ভবন। যা থেকে পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম শৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘার দেখা সহজেই মিলবে। এ কমপ্লেক্সের দেয়ালে লেখা থাকবে ফিদেল ক্যাস্ট্রোর সেই বিখ্যাত উক্তিটি “আমি হিমালয় দেখিনি, শেখ মুজিকে দেখেছি”। এতে আরো থাকবে আর্ন্তজাতিক মানের আবাসিক হোটেল, সম্মেলন কক্ষ,মুক্তাঞ্চল মিউজিয়াম,কমিউিনিটি সেন্টার,শপিংমল,রেস্টুরেন্ট,সুইমিংপুল সহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা। কমপ্লেক্সের একপাশে থাকবে শেখ হাসিনা নভোেিয়টার আর অন্যদিকে শেখ রেহানা আধুনিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র। টাওয়ারের বাইরে থাকবে শেখ কামাল প্লে গ্রাউন্ড এবং একটি শিশু পার্ক।

এসময় বক্তারা প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামণা করে জানান, পঞ্চগড়ে বঙ্গবন্ধু ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা হলে এতে করে যেমন বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি ধরে রাখা যাবে পাশাপাশি পঞ্চগড়ের পর্যটন শিল্প বিকাশ করে জেলার অর্থনৈতিক ধারা আরো বেগবান হবে। সেই সাথে পর্যটকেরা দেশের অন্যান্য এলাকা ভ্রমনের মত পঞ্চগড়ে আরো বেশি করে ভ্রমন করবে। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য