নীলফামারী জলঢাকায় ১১নং কৈমারী ইউপি নির্বাচনের সম্ভব্য প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারনা


বিশেষ প্রতিনিধি পি.বিঃ

যতই সময় ঘনিয়ে আসছে দিন, এগিয়ে আসছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। আর এই নির্বাচনকে সামনে রেখে আগাম প্রচার প্রচারনায় ব্যস্ত সময় পার করছেন চেয়ারম্যান, সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদের সম্ভব্য প্রার্থীরা। যাচ্ছে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে, দিচ্ছে নানান প্রতিশ্রুতি। সারা দেশের ন্যায় নীলফামারী জেলায় এরকমেই চলছে সম্ভব্য প্রার্থীদের আগাম নির্বাচনীয় প্রচার-প্রচারনা। এরই ধারাবাহিকতায় জেলার জলঢাকা উপজেলার ১১নং কৈমারী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনকে ঘিরে আজকের এই প্রথম পর্ব। 

নীলফামারী জলঢাকা উপজেলায় আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভব্য প্রার্থীরা যাচ্ছেভোটারদের দ্বারে দ্বারে, দিচ্ছেন নানান ধরনের প্রতিশ্রুতি। সরেজমিনে ঘুরে এরকমেই দেখা যায়, এ উপজেলায় রয়েছে ১১টি ইউনিয়ন এর মধ্যে বৃহত্তম এই কৈমারী ইউনিয়ন। প্রায় ৩৫ বর্গকিলোমিটার দৈর্ঘ  বৃহত্তম এই ১১নং কৈমারী ইউনিয়ন। এই ইউনিয়নে ভোটার সংখ্যা ৩১ হাজার ৫৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৫ হাজার ৬শত ২৩ জন এবং নারী ভোটার ১৫ হাজার ৪শত ২৩ জন।

ইউনিয়নের বাজার গুলোতে চায়ের দোকানে দোকানে বইছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে চুলছেড়া বিশ্লেষণ। নড়েচড়ে উঠেছে চেয়ারম্যান ও সদস্য পদের সম্ভাব্য প্রার্থীরা। অনেকেই আগাম প্রচার প্রচারণা শুরু করে দিয়েছেন অনেক আগে থেকে, বাড়ি বাড়ি গিয়ে করছেন কুশল বিনিময়ও। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সমানতালে চলছে প্রচার-প্রচারণা। এখনও নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা না হলেও ইতিমধ্যেই ইউপি নির্বাচনকে ঘিরে দলীয় মনোনয়ন পেতে স্থানীয় নেতা ও কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে শুরু হয়েছে প্রার্থীদের ব্যাপক দৌড়ঝাঁপ। 

সরেজমিনে দেখা গেছে, নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সকলের চেনা মুখ অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক সাইদার রহমান। দেশ স্বাধীনের পর থেকে তিনি ওই ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। দলের ত্যাগী নেতা সৎ ও নিষ্ঠাবান ব্যক্তি সাইদার রহমান মাস্টারকে আগামী ইউপি নির্বাচনে নৌকার মনেনেীত চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দেখতে চান ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরাসহ সাধারন ভোটাররা। 

ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাইদার রহমান মাস্টার বলেন, আমাকে নৌকার মনোনয়ন দিলে বিজয় সুনিচ্ছিত। তিনি জানান, চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে অবকাঠামো উন্নয়নসহ মাদক, সন্ত্রাস, বাল্য বিবাহ ও জুয়া নির্মুল করবো। যাতে ইউনিয়ন বাসি সুখে শান্তিতে বসবাস করে, এজন্য চুরি-ডাকাতি বন্ধ করবো ইনশা-আল্লা।

এছাড়াও নানা রকম কৌশল অবলম্বন করে ভোটের মাঠে নিজেকে অনুকূলে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন উপজেলা হিন্দু, বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নিরঞ্জন রায় রঞ্জু। তিনিও দলীয় সমর্থন পেতে একই আসনে অনেক আগে থেকে চালাচ্ছে প্রচার-প্রচারনা। চালিয়ে যাচ্ছে নানারকমের সামাজিক কর্মকান্ড। যাচ্ছে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি দিচ্ছে নানান প্রতিশ্রুতি। নৌকার মনোনয়ন পেতে তিনিও তদবির চালাচ্ছে স্থানীয় নেতারাসহ জেলা নেতাদের কাছে। স্থানীয় ভোটারদের মুখেও শোনা যায় সম্ভব্য এই প্রার্থীর সেবামুলক কর্মকান্ডের কথা। একই কথা বলেন নিরঞ্জন রায় রঞ্জু। 

এছাড়াও নানান কর্মকান্ডের অভিযোগ উঠেছে বর্তমান চেয়ারম্যান রেজাউল হক বাবুর বিরুদ্ধে। ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল বাবু অভিযোগ অস্বীকার করে মুঠোফোনে বলেন, যারা বেশী সুবিধা পেয়েছে তাঁরাই বেশী অভিযোগ করে আমার বিরুদ্ধে। নির্বাচনের বিষয তিনি বলেন, দল যাকে মনোনয়ন দিবে আমি তার পক্ষে কাজ করবো। এরই প্রেক্ষিতে নীলফামারী জলঢাকা উপজেলায় আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রায় ৩৫ বর্গকিলোমিটার দৈর্ঘ  বৃহত্তম এই ১১নং কৈমারী ইউনিয়নে বইছে আগাম নির্বাচনী হাওয়া। এই ইউনিয়নে ভোটার সংখ্যা ৩১ হাজার ৫৭। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৫ হাজার ৬শত ২৩ জন এবং নারী ভোটার ১৫ হাজার ৪শত ২৩ জন।

চায়ের দোকানে দোকানে বইছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে চুলছেড়া বিশ্লেষণ। নড়েচড়ে উঠেছে চেয়ারম্যান ও সদস্য পদের সম্ভাব্য প্রার্থীরা। অনেকেই আগাম প্রচার প্রচারণা শুরু করে দিয়েছেন অনেক আগে থেকে, বাড়ি বাড়ি গিয়ে করছেন কুশল বিনিময়ও। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সমানতালে চলছে প্রচার-প্রচারণা। এ উপজেলায় রয়েছে ১১টি ইউনিয়ন । এর মধ্যে মেয়াদ শেষ হবে এ বছরের মার্চ থেকে জুনের মধ্যে। এখনও নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা না হলেও ইতিমধ্যেই ইউপি নির্বাচনকে ঘিরে দলীয় মনোনয়ন পেতে স্থানীয় নেতা ও কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে শুরু হয়েছে প্রার্থীদের ব্যাপক দৌড়ঝাঁপ। 

সরেজমিনে দেখা গেছে, নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের কেউ কেউ এলাকার ভোটারদের মাঝে যাচ্ছেন এবং দিচ্ছেন আগাম প্রতিশ্রুতি। এছাড়াও নানা রকম কৌশল অবলম্বন করে ভোটের মাঠে নিজেদের অনুকূলে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন অনেকেই। দলীয় সমর্থন পেতে একই আসনে একাধিক প্রার্থীর পক্ষ থেকে চলছে নানারকম তদবির, সরব-গরম হয়ে উঠেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক কার্যালয় গুলোতেও । দলীয় সমর্থন পাওয়ার জন্য তৎপর হয়ে উঠেছে ওইসব ইউনিয়নের সম্ভাব্য প্রার্থীরা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য