লম্পট রাসেলের বিচারের দাবীতে এনজিও কর্মী মায়ের আর্তনাদ মামলা তুলে নেবার হুমকী

রংপুর ব্যুরো অফিসঃ 
নীলফামারী সদর উপজেলার চাপড়া সরমজানি ইউনিয়নের বানিয়া পাড়ার মানুষজন অতিষ্ঠ ও পরিবার নিয়ে আতংকিত হয়ে পড়েছে লম্পট রাসেলের নোংরামি কর্মকান্ডে।  লম্পট রাসেলে বিরুদ্ধে ৭ বছরের কিশোরী লামিয়াকে ধর্ষনের চেষ্টায় ৯(৪)খ ধারায় মামলা করেন কিশোরী লামিয়ার মা রিনা বেগম। ২১ জুলাই ২০২০ তারিখে রাসেলে বিরুদ্ধে মামলা হলে সে পলাতক রয়েছে। 

তবে একটি প্রভাবশালী মহল লম্পট রাসেলকে বাঁচাতে বিভিন্ন মহলে দৌড় ঝাপ করছে। লম্পট রাসেলের বিরুদ্ধে মামলার এজাহারে জানা গেছে ২০ জুলাই ২০২০ সকাল ১১টায় পরে ফাকা বাসায় লামিয়া আক্তার (৭) কে বিস্কুট খাবার প্রলোভন দেখিয়ে পাশের বাড়ি আব্দুল লতিফের পুত্র রাসেল (২৫) শাশুরী বুলবুলি বেগমের ঘরে ডেকে নিয়ে বিবস্ত্র করে ধর্ষনের চেষ্টা চালায়, 

লামিয়ার বড় বোন আদুরী আক্তার লম্পট রাসেলের নোংরামি দেখে চিৎকার করলে লম্পট রাসেল দ্রুত ঘর থেকে পালিয়ে যায়। ভিকটিমের মা রিনা বেগম সাংবাদিকদের বলেন আমি এনজিও কর্মী সারাদিন বাড়ীতে থাকি না, সমাজে পিছিয়ে পড়া, অনগ্রসর, মা ও শিশু বাল্য বিবাহ নিয়ে আমাকে কাজ করতে হয়। অথচ আমার ৭ বছরের মেয়ে লামিয়া তার সাথে প্রতিবেশী লম্পট রাসেল এই নোংরামি করেছে 

এর আগে আমার বড় মেয়ে আদুরী আক্তারকেও সে নোংরা কথা বলত এই সব খারাপ ইশারা করত আমি প্রতিবাদ করলে আমাকেও আমার স্বামীর অসুস্থ্যতার সুযোগ নিয়ে আমাকেও নোংরা কথা বলে যা আপনাদের সামনে ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না, এমনকি আমার ৩ বছরের ছেলে রিফাতকেও তারা পাশ্ববর্তী স্কুল বানিয়া পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাদে জুয়ার আসরে ধরে নিয়ে গিয়ে জোর পূর্বক সিগারেট খাওয়াতো না খেলে চর, থাপ্পার মারে, 

আমার ছেলে মূখে দেখেন সিগারেটের কালো দাগ হয়ে গেছে, লম্পট রাসেল জুয়া খেলে সংসার চালায়। শুধু তাই নয় কিছু দিন আগে সাথী আক্তার নামে এক প্রতিবন্ধি মেয়েকে জমি বাড়ির মটার ঘরে ধর্ষন করেছে। পরে স্থানীয় শালীসে কতকিছু করে বাঁচলো, এখন আমার পরিবারের উপর কুনজর পড়েছে। 

লম্পট রাসেল পালাত থাকলেও তার লোকজনেরা সব সময় মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি ধামকি চালিয়া যাচ্ছে। আমি পরিবার নিয়ে নিরাপদ বোধ করছি না, তাই প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। 

এ বিষয়ে মামলার দায়িত্ব প্রাপ্ত ও তদন্ত কর্মকর্তা সাব-ইন্সপেক্টর আরমান আলী জানান রাশেদ খুব ধুরন্দর, তাকে খোজা হচ্ছে, রাশেদ মোবাইল ব্যবহার করে না, তাই ট্রাকিং করাও যাচ্ছে না। আমরা আসামী ধরার চেষ্টা অবাহত রেখেছি। একাধিক এলাকাবাসী নাম প্রকাশ না করা সত্বে বলেছেন, আমরা যদি মুখ খুলি তাহলে আমাদের সন্তানদের উপরে লম্পট রাসেল গং টার্গেট করবে, 

সে ভালো ছেলে না। আপনারা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করেন। আমাদের ছেলে-মেয়েদের নিয়ে এই পরিবেশে কি ভাবে দিন পার করছি, তা আল্লাহ জানে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য