বিএনপির বিরুদ্ধে মানবাধিকার হরণ ও গণতন্ত্র ধ্বংসের অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি মন্তব্য করেছেন, অতীতে যারা গণতন্ত্র ধ্বংস করেছে তাদের স্থান ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে হয়েছে। শনিবার সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ঢাকা থেকে রংপুরমুখী লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। নাহিদ ইসলাম বলেন, তারেক রহমানকে নির্ধারণ করতে হবে তিনি কীভাবে ক্ষমতা থেকে চলে যাবেন। তিনি কি হেলিকপ্টারে করে পালিয়ে দেশ ছেড়ে যাবেন নাকি সম্মানের সঙ্গে ক্ষমতা থেকে পদত্যাগ করবেন, সে সিদ্ধান্ত তাকেই নিতে হবে। এরশাদও সম্মানের সঙ্গে পদত্যাগ করেছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারেক রহমানকে তার যাওয়ার রাস্তা নিজেকেই বাছাই করতে হবে। লংমার্চের পথে বাধা দেওয়ার অভিযোগ করে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, গণজোয়ার প্রতিরোধ করতে গতকাল রাত থেকে লংমার্চের পথে থাকা ১১–দলীয় ঐক্যের ব্যানার ও ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে এই কাজে সিটি করপোরেশনও যোগ দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে লংমার্চের গণজোয়ার বন্ধ করা যাবে না বলে মন্তব্য করেন এনসিপির এই নেতা। এসময় বর্তমান সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকার যেসব আইন ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জনগণের অধিকার হরণ করেছে, বর্তমান সরকারও একই আইন ও প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবহার করা শুরু করেছে। ঢাকা থেকে রংপুরের এই ঐতিহাসিক লংমার্চ ১১ দলীয় ঐক্যের নেতৃত্বে আট দফা দাবিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলেও জানান তিনি। সমাবেশে সমাপনী বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। জামায়াতের ঢাকা মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি রেজাউল করিম ও দক্ষিণের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল অব. অলি আহমদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম।
তারেক রহমানের ক্ষমতা ছাড়ার পথ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। এছাড়া লংমার্চের ব্যানার ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগও করা হয়।



0 মন্তব্যসমূহ