কক্সবাজার জেলা ফুটবল দলের গোলরক্ষক সজিবুল ইসলাম সাঈদীকে চলন্ত মোটরসাইকেল থামিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার দুপুরে মহেশখালী উপজেলার হোয়ানকের কালালিয়া কাটা এলাকার প্রধান সড়কে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত সাঈদীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে।
আহত সাঈদীর বড় ভাই মোরশেদ খান অভিযোগ করেন, স্থানীয় হোয়ানক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মীর কাশেম চৌধুরীর ভাই ভুট্টোর ছেলে নেহাল ও আরও কয়েকজন সাঈদীকে কুপিয়ে আহত করেছে। মোরশেদ খানের দাবি, চেয়ারম্যানের ছেলে মিরাজের নির্দেশেই এই হামলা চালানো হয়েছে। ঘটনার সময় সাঈদী এক আত্মীয়ের বিয়ের দাওয়াত খেয়ে ফিরছিলেন।
হামলার কারণ হিসেবে মোরশেদ খান জানান, সাঈদী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। তিনি স্থানীয় তরুণদের নিয়ে মাদক ও জুয়ার আস্তানা উচ্ছেদে প্রশাসনের সাথে সক্রিয়ভাবে কাজ করায় সংশ্লিষ্টরা তার ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত নেহাল ও মিরাজের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় চেয়ারম্যান মীর কাশেম চৌধুরী তার ভাতিজা নেহালের মাধ্যমে হামলার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, আগের রাতে নেহালের সাথে সাঈদীর কথা কাটাকাটি হয়েছিল, যার জেরে এই ঘটনা ঘটেছে। তবে হামলার সময় তার ছেলে মিরাজ সেখানে উপস্থিত ছিলেন না বলে তিনি দাবি করেন। সাঈদীর মাদকবিরোধী অবস্থানের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে চেয়ারম্যান তা এড়িয়ে যান।
এদিকে জেলা দলের গোলরক্ষকের ওপর এমন নৃশংস হামলার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র নিন্দা ও দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
মহেশখালীতে কক্সবাজার জেলা ফুটবল দলের গোলরক্ষক সাঈদীকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় চেয়ারম্যানের স্বজনদের বিরুদ্ধে। মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকায় এই হামলা বলে দাবি পরিবারের।



0 মন্তব্যসমূহ