প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন অভিযোগ করেছেন যে, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির নেতাকর্মীরা সচিবালয় এবং বিদেশি অতিথিদের সামনে মব সৃষ্টি করছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ পুনরায় রাজনীতিতে ফেরার অপচেষ্টা চালাতে পারে। শুক্রবার বিকেলে ঝিনাইদহ সার্কিট হাউজে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ খাঁন বলেন, জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে সচিবালয়ে মব তৈরি করা হয়েছে, যা গণঅভ্যুত্থানের সময়ও দেখা যায়নি। তিনি জামায়াতকে একটি হঠকারী দল হিসেবে অভিহিত করে বলেন, তারা সুযোগ পেলে সচিবালয়ের শৃঙ্খলা নষ্ট করবে। এছাড়া গত ৫ আগস্ট জাতীয় কর্মসূচিতে বিদেশি কূটনীতিকদের সামনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বেও মব সৃষ্টি করে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ বর্তমানে নিষিদ্ধ সংগঠন এবং তাদের রাজনীতি করার সুযোগ নেই। তবে জামায়াত ও এনসিপির কর্মকাণ্ড আওয়ামী লীগের ফেরার পথ প্রশস্ত করছে। বিরোধী দলগুলোর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সরকারকে চাপে রাখতে হঠকারী কর্মকাণ্ড জনগণ মেনে নেবে না। বিএনপিকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করার চেষ্টা করলে তার পরিণাম সবার জন্যই ভয়াবহ হবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রসঙ্গে রাশেদ খাঁন জানান, বিএনপি প্রার্থী দিয়েছে এবং এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি দাবি করেন, পরাজয়ের ভয়ে জামায়াত ও এনসিপি নির্বাচনে প্রার্থী দিচ্ছে না।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনার সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি এমএ মজিদ, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ, প্রেসক্লাবের সভাপতি আসিফ ইকবাল মাখন, সাবেক সভাপতি এম রায়হান, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লিটন, ঝিনাইদহ পৌর বিএনপির সভাপতি মাহবুবুর রহমান শেখর, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. ইমরান হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার রাসেল।
ঝিনাইদহে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেন জামায়াত ও এনসিপির মব সৃষ্টির সুযোগ নিয়ে আওয়ামী লীগ ফেরার অপচেষ্টা করতে পারে।



0 মন্তব্যসমূহ