কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং বিশিষ্ট সমাজসেবক লিয়াকত আলী মেম্বারকে একটি মিথ্যা ও সাজানো মামলায় কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএমইউজে), কক্সবাজার জেলা শাখা। সংগঠনটির পক্ষ থেকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও অবিলম্বে তাঁর নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানানো হয়েছে।
প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, গত কয়েক মাস আগে লিয়াকত আলী মেম্বারকে হত্যার উদ্দেশ্যে তাঁর ওপর সশস্ত্র হামলা চালায় প্রতিপক্ষের লোকজন। সে সময় স্থানীয় জনতা একজন হামলাকারীকে হাতেনাতে ধরে অস্ত্রসহ পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। অত্যন্ত দুঃখজনক ও রহস্যজনকভাবে, সেই ঘটনার আসল সত্যকে ধামাচাপা দিয়ে এবং নানা নাটকীয়তার জন্ম দিয়ে সদর থানা পুলিশ উল্টো ভুক্তভোগী লিয়াকত আলী মেম্বারের বিরুদ্ধেই অস্ত্র প্রদর্শনের মিথ্যা অভিযোগ এনে একটি গায়েবি মামলা দায়ের করে। আজ সেই সাজানো মামলায় তাঁকে কারাগারে যেতে বাধ্য করা হলো।
বিগত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের দীর্ঘ শাসনামলে এই সমাজসেবক নেতার ওপর কম নির্যাতন হয়নি। একের পর এক মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন রাজনৈতিক মামলায় তাঁকে জর্জরিত করা হয়েছিল; জীবনের বহু মূল্যবান সময় তাঁকে কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে কাটাতে হয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পরও আজ জনগণের মুক্ত ও সুদিনের বাতাসে একজন সৎ ও জনপ্রিয় জননেতাকে পুনরায় কারাগারে যেতে হচ্ছে। জুলুম-নির্যাতনের বিরুদ্ধে লড়াই করা একজন নিবেদিতপ্রাণ রাজনৈতিক কর্মীর ভাগ্যে যদি আজও এমন হয়, তবে সাধারণ নেতাকর্মীরা কার কাছে ন্যায়বিচার পাবে—এমন প্রশ্ন আজ জনমনে বড় হয়ে দেখা দিয়েছে।
বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন, কক্সবাজার জেলা শাখা মনে করে, লিয়াকত আলী মেম্বারের বিরুদ্ধে দায়ের করা এই মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। অনতিবিলম্বে এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে তাঁকে সসম্মানে মুক্তি দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানানো হচ্ছে।
প্রতিবাদকারী:
বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএমইউজে)
কক্সবাজার জেলা কমিটি
লিয়াকত আলী মেম্বারকে ‘মিথ্যা ও সাজানো’ মামলায় কারাগারে পাঠানোর অভিযোগে উদ্বেগ জানিয়েছে বিএমইউজে কক্সবাজার জেলা শাখা। সংগঠনটি মামলা প্রত্যাহার ও তাঁর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করেছে।



0 মন্তব্যসমূহ