টাঙ্গাইল আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে সেবাপ্রার্থীদের হয়রানি ও ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে সহকারী পরিচালক আবজাউল আলমের বিরুদ্ধে। ধর্মীয় বেশভূষার আড়ালে তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দালালের মাধ্যমে কাজ করানোর অভিযোগ দীর্ঘদিনের। সম্প্রতি জুনাইদ হাসান নামে এক যুবকের মায়ের নামের বানান নিয়ে হয়রানির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি আলোচনায় আসে। ভুক্তভোগীদের দাবি, নির্ধারিত ফি জমা দেওয়ার পরও দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত দুই থেকে তিন হাজার টাকা না দিলে ফাইল আটকে রাখা হয়। জুনাইদ হাসান জানান, তার মায়ের নাম জহুরা (Johora) সব নথিতে সঠিক থাকলেও ব্যাকরণের অজুহাতে আবজাউল আলম তা গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান। এ ঘটনায় তিনি গত ৩০ জুন টাঙ্গাইল সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এছাড়া হিমেল রহমান ও নেজামউদ্দিন নামের আরও দুই ভুক্তভোগী জানান, দালালের শরণাপন্ন না হওয়ায় তাদের নানাভাবে হয়রানি করা হয়েছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, আবজাউল আলমের বিরুদ্ধে এর আগে এক ভারতীয় নাগরিককে অবৈধভাবে পাসপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা করেছিল। দুদকের উপপরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরীর সুপারিশে তার বিরুদ্ধে চার্জশিটও অনুমোদিত হয়েছিল। টাঙ্গাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম মুক্তার আশরাফ জানান, অভিযোগটি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে আবজাউল আলম সব অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, ভিডিওটি খণ্ডিত এবং তিনি দুদকের মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন।
টাঙ্গাইল পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক আবজাউল আলমের বিরুদ্ধে ঘুষ ও হয়রানির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা না দিলে ফাইল আটকে রাখার অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। জেনে নিন বিস্তারিত তথ্য।


0 মন্তব্যসমূহ