এসএসসি পরিক্ষার্থীদের পাশে ছাত্রলীগঃ অব্যাহত থাকবে সেবা কার্যক্রম।

 


নিজন্ব প্রতিবেদকঃ 

এসএসসি পরিক্ষার প্রথম দিন কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানের শিক্ষার্থীরা পরিক্ষা দিতে এসে নানা বিড়ম্বনায় পড়ছিলেন। পরিক্ষা দিয়ে শহর থেকে বের হওয়া এবং প্রবেশ মুখ বাস টার্মিনালে কামিল মাদ্রাসায় পরিক্ষার কেন্দ্র হওয়ায় লেগে যায় তীব্র যানজট।  ঠিক ওই সময়ে যানজট নিরসনে রাস্তায় নেমে পড়ে ছাত্রলীগের একদল কর্মী। এরফলে ভোগান্তি দূর হয়ে যায়। 

বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মারুফ আদনানের নির্দেশনায় সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল আলম হৃদয়ের নেতৃত্বে এ আয়োজন করা হয়।

জেলায় এবারে ৪৯ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই পরীক্ষায় ৩১ হাজার ৭৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে।  

এদিকে প্রায় ৫০০ পরীক্ষার্থীকে কলম, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রাখার ফাইল, চলমান পরীক্ষার রুটিন ও পানির বোতল বিতরণ করা হয়। এছাড়া পরীক্ষার্থীরা যেন দ্রুত কেন্দ্রে পৌঁছাতে পারে সেজন্য শহরের প্রবেশমুখে যানজট নিরসনে কাজ করে সদর উপজেলা ছাত্রলীগ। শুধু তাই নয়, পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর পরীক্ষার্থীরা যেন নিরাপদে বাড়িতে পৌঁছতে পারে সেজন্য তীব্র গরমে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ট্রাফিক পুলিশের কাজও করতে দেখা গেছে তাদের।

এর পরপরই সামাজিক যোহাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে প্রশংসায় ভাসছেন ছাত্রনেতা রবিসহ অন্যান্যরা। অনেকই শুভ কামনা জানিয়ে পোস্ট করছেন স্যোসাল মিড়িয়ায়। 

পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে আসা অভিভাবকরা বলেন, ছাত্রলীগের ব্যতিক্রমী এ উদ্যোগ অবশ্যই প্রশংসনীয়। শিক্ষার্থীরা যেন যথাসময়ে কেন্দ্রে পৌঁছাতে সেজন্য শহরের প্রবেশমুখে যানজট নিরসনে কাজ করে গেছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এছাড়া কেন্দ্রে কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাসামগ্রীসহ পানির বোতল বিতরণ করেন। তাদের এই কাজ দেখে খুব ভালো লাগছে। শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার জন্য তাদের ধন্যবাদ। 

এ বিষয়ে ছাত্রলীগ নেতা রবিউল আলম হ্নদয় বলেন, যতদিন এসএসসি পরিক্ষা চলবে ততোদিন ছাত্রলীগের এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং  জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মারুফ আদনানের নির্দেশনায় পরীক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতেগড়া সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে শক্তিশালী করতে মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের ছাত্রলীগের পতাকাতলে সমবেত হওয়ার আহ্বান করেছি। এশিয়ার সর্ববৃহৎ ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে।




একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

1 মন্তব্যসমূহ

  1. Our objective is to educate and disseminate information on compulsive gambling and to facilitate referrals to assist. The gambling industry’s hold over research, education and therapy would finish with a compulsory levy, paid to an unbiased physique and calculated on the premise of need. Bankruptcy –This should always be a final resort, but in excessive cases it might be the one option. There is no guarantee that your gambling debt shall be discharged, 카지노사이트 but there isn’t a specific law for or against it.

    উত্তরমুছুন