নীলফামারীতে শিক্ষিতা নারী প্রতিবন্ধী নাজমার আশা ,ইউনিয়ন পরিষদ উদ্যোক্তা হতে চায়


সাইফুল ইসলাম মানিক নিলফামারীঃ
 

নীলফামারী সদরের সোনারায় সংখোলশী ইউনিয়নে প্রতিবন্ধী নাজমা ইউনিয়ন পরিষদ  উদ্যোক্তা হয়ে জীবিকা নির্বাহ করতে চায়। সরেজমিনে গেলে জানাযায়, সদর উপজেলা সোনারায় সংখোলশী ইউনিয়ন এর ৯ নং ওয়ার্ডের ছিট ব্যংমারী গ্রামের মৃত মেহেরাব হোসেনের মেয়ে নাজমা, ২০১০ সালে বিদ্যুৎ স্পর্শে মারা যায় নাজমার বাবা সেইথেকে হয়ে যায় বাবা হারা পরিবার দুই মে এক ছেলের মধ্যে নাজমা ২য়, দরিদ্র পরিবারের সন্তান হলেও লেখাপড়া থেমে ছিলোনা নাজমার ডাঙাপাড়া ব্রাক স্কুলে ১ম থেকে ৫ম শ্রেনী পরে ৬ ষষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি হন সোনারায় সংখোলশী স্কুল এন্ড কলেজ । 

২০১২ সালে এস ,এস ,এস ,সি পরীক্ষার পর ২০১৪ সালে দেন এইচ, এস ,সি পরীক্ষা তারপর ২০১৭ সালে ডিগ্রী অর্জনের পড় কোথাও চাকরী না হওয়ায় নিজ বাড়িতে সময়কাটে এই প্রতিবন্ধী মেয়েটির, বাবা হারা মেয়েটি প্রতিবন্ধী হলেও দীর্ঘদিন ভাগ্যে জুটেনি প্রতিবন্ধী ভাতা ৯ নং ওয়ার্ড সদস্য আব্দুল মান্নান শাহ এর সহযোগিতায় ২০২১ সালে প্রথম প্রতিবন্ধী ভাতা ৯০০০ হাজার পায় নাজমার পরিবার, সংসারের হাল ধরার কেউ না থাকায় ও আয়েরউৎস্য না থাকায় মানবতার জীবন যাপন করতে হচ্ছে এই পরিবারটির। 

নাজমার বড়বোনের বিয়ে হয়েছে কিশোরগঞ্জ উপজেলার গাড়াগ্রামে বড় বোনও শিক্ষিত হওয়ায় শশুর পরিবারের সহযোগিতায় চাকরি হয় গাড়াগ্রাম দোলা পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। নাজমার ছোট ভাই নবম শ্রেণির ছাত্র তাই সংসার চালাতে মানুষের বাড়ীতে কাজ করতে হয় নাজমার মা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদের মেয়ে সাহারা বানুর। সাহারাবানু দিনাজপুর জেলার চিরির বন্দর  বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ এর সন্তান। 

এ বিষয়ে সোনারায় ইউনিয়নে দায়িত্বে থাকা সচিবের সাথে কথা হলে তিনি  জানান একটি নারী উদ্যোক্তা পদ আছে যদি উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিতে বলে তাহলে তাকে নেয়া যাবে । এই বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এলিনা আক্তার দৈনিক পরিকল্পিত বার্তাকে বলেন উদ্যোক্তা নিয়োগ হয় ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা যৌথ ভাবে । তবে কাউকে সরিয়ে দিয়ে নয় যদি পদ শূন্য থাকে সে আবেদন করলে বিষয়টি আমি  দেখবো তিনি আরো  বলেন ইউনিয়ন পরিষদ এর প্রতিবেদন  দেখে নিয়োগ  দেয়া হয় ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য