জলঢাকায় নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে এলজিএসপির কাজে বৈধতা দিলেন ইউএনও


আব্দুল মালেক, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে এলজিএসপির অর্থায়নে গাইড ওয়ালের কাজে অনিয়মের অভিযোগ পেয়ে সরেজমিনে গিয়ে বৈধতা দিয়েছেন নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুব হাসান। এবং সাথে ছিলেন উপজেলা এলজিডির প্রকৌশলী আব্দুর রউফ।

উপজেলার বালাগ্রাম ইউনিয়নের ০৬নং ওয়ার্ড কাঁশিনাথপুর গ্রামে এলজিএসপির অর্থায়নে ২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে দুটি গাইড ওয়ালের কাজ করেন ইউপি সদস্য গোলাম রব্বানী। নিম্নমানের সামগ্রী দ্বারা গাইড ওয়ালের কাজ করায় অভিযোগ উঠেছে ওই ইউপি সদস্য গোলাম রব্বানীর বিরুদ্ধে। নির্মাণ কাজ মানসম্মত না হওয়ায় উপজেলা প্রশাসন ও সংবাদকর্মীদের খবর দেয় এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার সকালে সরেজমিনে গেলে সত্যতা পাওয়া যায়, তিন নম্বর ইট ও নিম্নমানের সামগ্রী দ্বারা কাজ করাচ্ছে ইউপি সদস্য। একই খবর পেয়ে বিকেলে ঘটনাস্থলে যান উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা প্রকৌশলী। 

তারা কাজের মানের বৈধতা দেন। এ খবর সোশাল মিডিয়া ফেসবুক ও অনলাইন পোর্টালে প্রকাশ হলে শুক্রবার বিকেলে আবারও সরেজমিনে গেলে,স্থানীয়দের অভিযোগ নিম্নমানের সামগ্রী দ্বারা কাজ করলেও ব্যবস্থা না নিয়ে বৈধতা দিয়েছেন ইউএনও। ইউএনও'র এহেন মন্তব্যে  অসন্তোষ প্রকাশ করেছে স্থানীয়রা। ওই এলাকার আব্দুর সাত্তার বলেন,যে ইটগুলো দিয়ে কাজ করা হয়েছে সেগুলো থার্ট ক্লাস ইট। ইউএনও মহোদয় স্যার এসে ইটগুলো দেখে পার্ফেক্ট বলে গেছে। এই ইটগুলো ক্যামনে পার্ফেক্ট হয়? 

এছাড়া ওই এলাকার সাইদার রহমান,এমদাদুল হক এনে,আব্দুর গফুর,মানিক হোসেন,তোফাজ্জাল হোসেন,রাব্বি হোসেন সহ অনেকে জানায়,কাজের জন্য যে ইটগুলো এনেছে সেগুলো তিন নম্বর ইট। এই ইটগুলো কীভাবে এক নম্বর ইট হয়? এ কাজের সুষ্টু তদন্ত দাবী জানান এলাকাবাসী। 

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুব হাসান মুঠোফোনে জানায়,ইট খুলে দেখা হয়েছে ঠিক আছে। উপ-পরিচালক স্থানীয় সরকার (ডিডিএলজি) মোঃ আব্দুর রহমান মুঠোফোনে বলেন, এ রকম অনিয়ম হলে ইট খুলে পরীক্ষা করে অনিয়ম প্রমান হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি জানান কাজ দেখে বিল দেয়া হবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য