পঞ্চগড়ে অবসরপ্রাপ্ত এক ব্যাংক কর্মতার ক্ষেতের লাউ ও শিম গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ


মো. কামরুল ইসলাম কামু পঞ্চগড়ঃ 
 

পঞ্চগড়ে জমি নিয়ে বিবাদের জের ধরে সবজির ক্ষেতের গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ করেছেন ব্যাংকের এক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। ঘটনাটি ঘটেছে ‘ পঞ্চগড় সদর উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ মাগুড়া মৌজায়।জনতা ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ওলিয়ার রহমান অভিযোগ করেন আমি ৫০ শতক জমিতে মুলা ও জাংলি দিয়ে লাউ এবং ১৭ শতক জমিতে শিমের আবাদ করি। 

শুক্ররবার (৩০অক্টোবর) রাতের আঁধারে প্রতিবেশি মোঃ জালাল উদ্দীন গং ওই ক্ষেতের লাউ ও শিম গাছ কেটে ফেলে। আমি কিছুদিন হয় অবসরে গিয়েছি ‘ এখনো এল পিআর ’এ আছি। আমি চিন্তা করলাম এখন তো চাকুরী শেষ ‘ সময় কাটেনা এ জন্য গ্রামের বাড়িতে পৈত্তিক ও নিজের ক্রয় করা জমিতে কৃষি কাজ শুরু করি। 

সে সুবাদে প্রায় ৩০ বছর ধরে পড়ে থাকা জমিতে লাউও ১৭ শতক শিম, আবাদ করি। তা ছাড়া চা বাগানও রয়েছে। এর মধ্যেই জালাল গংরা আমাদের সাথে নানা রকম দ্বন্দ সৃষ্টি করে। পড়ে থাকা ওই জমিতে তারা ধান মাড়াই, ধান রাখা ও নির্বিঘে্ন চলাচল করতো। এখন চলাচল করতে না পারায় তারা এসব কাজ করছে। 

ওলিয়ার রহমান বলেন ‘ তাদের এহেন কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর আমাদের বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। সময়-অসময় নানা রকম অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ ও ছুরি দিয়ে ভীতি প্রদর্শন করে এবং আমাদের প্যান্ট খুলে নিবে এমন উক্তি করেন। ফলে গত ২৪/০৮/২০২০ ইং তারিখে আমি ১১ জনের নাম দিয়ে  ১০৭ ধারায় আদালতে একটি মামলা দায়ের করি। মামলাটি গত ২৮/১০/২০২০ ইং রায় হয় ‘ জালাল উদ্দীন গংরা আর শান্তিশূঙ্খলা ভঙ্গ করেনা মর্মে ওই দিন আদালতে মুচলেকা দিয়ে খাালাস পায়। মামলা নং-৯৪/২০২০।

এ বিষয়ে মোঃ জালাল উদ্দীনের সাথে মুঠো ফোনে ঘটনা জানতে চাইলে ‘ তিনি বলেন আমরা তাদের জমিতে রোপন করা লাউ, শিমের গাছ কাটিনি। তারা সরকারি রাস্তা বন্ধ করেছে ‘ মর্মে আমরা একটি লিখিত অভিযোগ সদর ইএনও ও সদর এ্যাসিল্যান্ড এবং চেয়ারম্যানের বরাবরে দাখিল করেছি। ইউএনও স্যার এসেছিলো,। 

তারা বলেছে ‘ আমিন দিয়ে রাস্তার জমি মাপবো। তারা রাস্তার জমি ছেড়ে দেয়নি। আর আদালতে মুচলেকা যদি লিখে দেই ‘ তাহলে লাউ ও শিম গাছ কাটবো কেনো ‘ আমাদের কি ভয় নাই। মামলা তো খারিজ হয়ে গেছে।  

এবিষয়ে মাগুড়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কালাম আজাদ(বাবুল) মুঠো ফোনে জানান ‘আমি শুনলাম ‘ তবে বাড়িতে একটি অনুষ্ঠান থাকার কারনে সেখানে যেতে পারিনি।’ তবে যাবো।এ ব্যাপারে পঞ্চগড় সদর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু আক্কাস আহাম্মদ বলেন ‘ এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য