সৈয়দপুরে তিন সন্তানের জননীর লাশ উদ্ধার

মিজানুর রহমান মিলন স্টাফ রিপোর্টারঃ
নীলফামারীর সৈয়দপুরে আকলিমা (২৮) নামের তিন সন্তানের জননী এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ  শনিবার উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের স্বাদু পানি মৎস্য গবেষণা উপকেন্দ্রের পিছনের বালাডাঙ্গার মাঠ থেকে ওই লাশ উদ্ধার করে সৈয়দপুর থানা পুলিশ। তবে পুলিশের ধারনা তাকে শ্বাষরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, সৈয়দপুর উপজেলার  কামারপুকুর ইউনিয়নের কিসামত কামারপুকুর সরকারপাড়ার মৃত. আবেদ আলীর মেয়ে আকলিমা (২৮)। গত ২০১৪ সালের দিনাজপুরের পাবর্তীপুর উপজেলার হাবড়া রসুলপুর এলাকার মো. শরিফুল ইসলামের সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। ওই দম্পতির তিন ছেলেমেয়ে রয়েছে। 

আজ শনিবার গৃহবধূর আকলিমার লাশ কামারপুকুর ইউনিয়নের কিসামত কামারপুকুর সরকারপাড়ার অদূরে স্বাদু পানি মৎস্য গবেষণা উপকেন্দ্রের পিছনের বালাডাঙ্গায় ১১ হাজার ভোল্টের একটি বৈদ্যূতিক খুঁটির নিচে পড়ে ছিল। সকালে এলাকার লোকজন মাঠে কাজ করতে গিয়ে এক নারীর লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। 

পরে খবর পেয়ে সৈয়দপুর থানা পুলিশ সেখানে যান। এরপর  ডিবি পুলিশেরও একটি দলও ঘটনাস্থলে আসেন। এরপর সৈয়দপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আতাউর রহমানের নেতৃত্বে থানার উপ-পরিদর্শক মো. সাহিদুর রহমান লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন।

এ সময় লাশের কোমরে কাপড়ের মধ্যে গুছিয়ে রাখা একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়। এতে লেখা ছিল “আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়”। এরপর লাশটি উদ্ধার করে  ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। গৃহবধূ আকলিমাকে শ্বাষরোধ করে হত্যা করা লাশ ফেলে রেখে যাওয়া হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন পুলিশ। 

সৈয়দপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অশোক কুমার পাল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ঘটনায় স্থানীয় থানায় একটি অপমৃত্যূ মামলা দায়ের করা হয়েছে। এদিকে মৃতের পরিবারের সুত্র জানায়, লোকমুখে জানতে পারেন উল্লিখিত এলাকায় একজন নারীর লাশ পড়ে রয়েছে।

পরে সেখানে গিয়ে তারা দেখতে পান লাশটি আকলিমার। সুত্রটি জানায় নিহত আকলিমা স্বামীর বাসায় থাকতো। সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবুল হাসনাত খান কামারপুকুর বালাডাঙ্গা এলাকার মাঠ থেকে এক নারীর লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। খুব শিগগিরই 

আকলিমার মৃত্যুু কারণ উদঘাটন হবে। এজন্য তাদের পক্ষ থেকে তদন্ত করা হচ্ছে। এবং বেশ কিছু সুত্রও পাওয়া গেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে বেশি কিছু বলেননি তিনি।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য