ভূমি উন্নয়ন কর ৭০০ টাকার রিসিভ কাটায় লাঞ্চিত সহকারী ভূমি কর্মকর্তা

মোঃ সাদিক-উর রহমান শাহ্ (স্কলার) রংপুর ব্যুরোঃ
ইটাখোলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কৃষি জমির বার্ষিক ভূমি উন্নয়ন কর ৭০ টাকার পরিবর্তে ৭০০ টাকার রিসিভ কাটায় ইটাখোলা ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা দুলাল চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ এনে লাঞ্চিত করা হয়েছে। 

সরেজমিনে জানা গেছে নীলফামারী পৌরসভা সীমানা বাড়িয়ে কয়েকটি ইউনিয়নের বেশ কিছু পাড়া/মহল্লা ইউনিয়ন থেকে পৌরসভায় অন্তরভূক্ত হয়। এ কারণে ভূমি উন্নয়ন কর কৃষি জমিতে ২ টাকা শতকের পরিবর্তে ঐ কৃষি জমি ২০ টাকা নিধারন করা হয় সরকারী নিয়ম অনুযায়ী। 

বেলালুর আমিন নামে এক ব্যক্তি ৮১২৫/৮০৫৪/৮০৫৭/৫০৭২ নম্বর দাগে ৩৫ শতক জমির ভূমি উন্নয়ন কর দিতে আসলে ইটাখোলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তা দুলাল চন্দ্র রায় ঐ দাগগুলো পৌরসভার সীমানায় পড়ায় ২ টাকা শতকের পরিবর্তে ২০ টাকা শতক হিসাবে ৭০০ টাকার রিসিভ কেটে দেয়। 

বেলালুর আমিন ঐ টাকা দিতে অস্বিকৃতি জানিয়ে সহকারী ভূমি কর্মকর্তা দুলাল রায়ের উপর চড়াও হয়। পরবর্তীতে তিনি ৭০০ টাকা পরিশোধ করলেও মানুষিক নির্যাতন ও দেখে নেওয়ার হুমকি প্রদর্শন করে বেলালুর আমিন। 

এক পর্যায়ে তৃতীয় একটি পক্ষ ৩০০০ হাজার টাকায় দুলাল রায়ের নিকট বিষয়টি রফাদফা করতে চাইলে সহকারী ভূমি কর্মকর্তা টাকা দিতে অস্বিকৃতি প্রদান করেন। এ কারণে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার কৌশল অবলম্বন করে। 

এ বিষয় ইটাখোলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তা দুলাল রায় বলেন, আমি সরকারী নিয়মে পৌরসভার কর ২০ টাকা শতক হিসাবে ৩৫ শতক ৭০০ টাকার রিসিভ কাটি, এটা যদি আমার অপরাধ হয় আপনার বিচার করুন। 

ইটাখোলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আসা কৃষক মোঃ আব্দুল ওয়াহব, গোলাম রব্বানী, আব্দুল রফিক, সুজন সরকারসহ আর কয়েক জনকার সাথে সহকারী ভূমি কর্মকর্তার অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের বিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলেন সরকারী নিয়ম অনুযায়ী রিসিভ কাটা হচ্ছে। 

আর ভূল বোঝা বুঝির কারণে এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজুর রশিদ চৌধুরী মঞ্জু বলেন বিষয়টি আমি শুনেছি, পৌরসভা আর ইউনিয়ন পরিষদের ভূমি উন্নয়ন কর এক নয়, এটা আমাদের বুঝতে হবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য