সৈয়দপুরে করোনা আক্রান্ত জাহাঙ্গীরের পরিবারের সদস্যদের করোনা ভাইরাস নেভেটিভ

মিজানুর রহমান মিলন স্টাফ রিপোর্টারঃ নীলফামারীর সৈয়দপুরে বসবাসকারী তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল মেডিক্যাল টেকনোলজিষ্ট (ল্যাব) করোনা আক্রান্ত মো. জাহাঙ্গীর আলমের পরিবারের ৪ জন সদস্যসহ ৬ জনের করোনা ভাইরাসের পরীক্ষার ফলাফল নেভেটিভ এসেছে। এরআগে মেডিক্যাল টেকনোলজিষ্ট মো. জাহাঙ্গীর আলমের গত ২৩ এপ্রিল সংগ্রহ করা নমুনা পরীক্ষায় গত ২৮ এপ্রিল করোনা ভাইরাস পজেটিভ আসে। জানা গেছে, রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত মেডিক্যাল টেকনোলজিষ্ট (ল্যাব) মো. জাহাঙ্গীর আলম সৈয়দপুর শহরের কাজীরহাট পানি ট্যাঙ্ক সংলগ্ন এলাকায় ভাড়া বাসায় স্ত্রী-সন্তান নিয়ে থাকতেন। তিনি সৈয়দপুর থেকে প্রতিদিন কর্মস্থলে যাতায়াত করতেন । আর দেশে করোনা ভাইরাসের প্রাদূর্ভাব শুরু তিনি তারাগঞ্জ উপজেলার করোনা সন্দেহভাজনদের নমুনা সংগ্রহ করতেন। এ অবস্থায় তারাগঞ্জ উপজেলায় করোনা ভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ কাজে জড়িত জাহাঙ্গীর আলমসহ তিন টেকনোলজিষ্ট  স্বেচ্ছায় গত ২৩ এপ্রিল তাঁদের শরীরের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। গত ২৮ এপ্রিল আসা পরীক্ষার ফলাফলে জাহাঙ্গীর আলমসহ  অন্য দুইজনের শরীরে করোনা পজিটিভ আসে। আর ওইদিনই তাঁর করোনা ভাইরাস পজিটিভের বিষয়টি অবগত হয় সৈয়দপুর উপজেলা প্রশাসন। পরবর্তীতে তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টেকনোলজিষ্ট করোনা আক্রান্ত জাহাঙ্গীর আলমকে তাঁর সৈয়দপুর  শহরের কাজীরহাট পানি ট্যাংকি এলাকার ভাড়া থেকে থেকে উদ্ধার করে প্রথমে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে এবং পরে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। এদিকে, জাহাঙ্গীর আলমের করোনা ভাইরাস পজিটিভ হওয়ায় উপজেলা প্রশাসন তাঁর পরিবারের সদস্যদের হোম কোয়ারেন্টিাইনে নেয়। একই সাথে ওই বাসার আশপাশের চারটি বাড়ি লকডাউন করে উপজেলা প্রশাসন। এছাড়াও করোনা পজেটিভ জাহাঙ্গীর আলমের পরিবারের ৪ সদস্যসহ ওই দ্বিতল বাড়ির অন্য একটি ফ্লাটে থাকা একটি পরিবারের দুইজনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। গতকাল শুক্রবার জাহাঙ্গীর আলমের পরিবারের ৪ সদস্যসহ  ৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা ভাইরাস নেভেটিভ ফলাফল আসে। আজ শনিবার সৈয়দপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু মো. আলেমুল বাশার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, করোনার প্রাদূর্ভাবের শুরু থেকে সৈয়দপুর উপজেলায় গত ১ এপ্রিল পর্যন্ত ৬৮ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত পাঠানো নমুনার ফলাফল পাওয়া গেছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য