এবার কক্সবাজার শহর থেকে সেন্টমার্টিনে চলবে এমভি কর্ণফুলি জাহাজ (ভিডিও)

এবার কক্সবাজার শহর থেকে সেন্টমার্টিনে চলবে এমভি কর্ণফুলি জাহাজ (ভিডিও)

কক্সবাজার থেকে সাগর পথে সরাসরি সেন্টমার্টিন যাওয়ার যাবে। পর্যটকদের কথা চিন্তা করে ফারহান এক্সপ্রেস ট্যুরিজম নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্টানের সার্বিক সহযোগিতায় কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্স লিমিটেড এ সার্ভিস চালু করেন। বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেল পৌনে তিনটায় পর্যটকবাহী বিলাসবহুল জাহাজ এমভি কর্ণফুলী এক্সপ্রেসের উদ্ভোধন করেন নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।
নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী জাহাজ উদ্বোধন কালে।

মোহাম্মদ শফিক, আব্দুল আলীম নোবেল, মোঃ মনছুর আলম (এম আলম):
কক্সবাজার থেকে সাগর পথে সরাসরি সেন্টমার্টিন যাওয়ার যাবে। পর্যটকদের কথা চিন্তা করে ফারহান এক্সপ্রেস ট্যুরিজম নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্টানের সার্বিক সহযোগিতায় কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্স লিমিটেড এ সার্ভিস চালু করেন। বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেল পৌনে তিনটায় পর্যটকবাহী বিলাসবহুল জাহাজ এমভি কর্ণফুলী এক্সপ্রেসের উদ্ভোধন করেন নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। 

মন্ত্রী বলেন, টেকনাফ হয়ে প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিনে যেতে অনেক সময় নষ্ট হতো। অনেক সময় পর্যটকও বিভ্রান্ত হতো। এ সার্ভিস চালু হওয়ার পর একদিকে যেমন সময় বাঁচবে তেমনি অন্যদিকে পর্যটক হয়রানি অনেকটা বন্ধ হবে। কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন সার্ভিস চালুর মধ্য দিয়ে পর্যটন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ হবে বলে আশা করেন তিনি। একই সাথে বাঁকখালী নদী খনন কাজ আরো বাড়ানো হবে বলে জানান তিনি। 

জাহাজের কেক কেটে উদ্ভোধন করার পর জাহাজটি কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়াস্থ ‘ বিআইডব্লিউটিএ ’ ঘাট থেকে সেন্টমার্টিনের দিকে রওয়ান দেয়। তবে আধা ঘন্টা যাত্রার পর পুনরায় ঘাটে ফিরে আসেন। 

ফারহান এক্সপ্রেস ট্যুরিজম এর সত্বাধিকারী হোসাইনুল ইসলাম বাহাদুর জানান, উদ্বোধনের পর পরই জাহাজটি অতিথি ও ভিভিআইপিদের নিয়ে বঙ্গোপসাগরে নৌ-বিহারে গিয়েছিল। আমরা আশা করি পর্যটকদের মনোমুগ্ধকর, নিরাপদ ও মানসম্মত সেবা দিতে পারবো। 

তিনি আরো জানান, জাহাজটি সকাল সাতটায় বিআইডব্লিউটিএ ঘাট থেকে যাত্রা শুরু করবে এবং দশটার মধ্যে সেন্টমার্টিনে পৌঁছে যাবে।  

জাহাজটি পরিচালনায় থাকা কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্স লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার এম.এ রশিদ জানান, কক্সবাজারবাসী ও পর্যটকদের জন্য মুজিব বর্ষের উপহার এটি। এটি পর্যটন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ হবে বলে মনে করেন তিনি। 

তিনি বলেন, জাহাজটি প্রায় ৫৫ মিটার দীর্ঘ ও ১১ মিটার প্রশস্ত নৌযানে মেইন প্রাপালেশন ইঞ্জিন হচ্ছে দুটি। আমেরিকার বিখ্যাত কামিন্স ব্র্যান্ডের একেকটির ক্ষমতা প্রায় ৬০০ বিএইচপি করে। জাহাজটি ঘণ্টায় প্রায় ১২ নটিক্যাল মাইল গতিতে ছুটতে পারে। ১৭টি ভিআইপি কেবিন সমৃদ্ধ। নৌযানে ৩ ক্যাটাগরির প্রায় ৫০০ আসন রয়েছে। রয়েছে কনফারেন্স রুম, ডাইনিং স্পেস, সী ভিউ ব্যালকনিও। 

এ সময় বিশেষ অতিথি ছিলেন এই সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোঃ আবদুস সামাদ, জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন, পুলিশ সুপার এ.বি.এম মাসুদ হোসেন বিপিএম (বার), বিআইডব্লিউটিএ এর উর্ধ্বতন কর্মকতা, জনপ্রতিনিধি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

ভিডিও ধারণেঃ সাংবাদিক মোহাম্মদ শফিক ও মীর কাশেম আজাদ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য