গোয়েন্দা সংস্থার ভেরিফিকেশনের নামে প্রায় এক হাজার মেধাবী তরুণের নিয়োগ আটকে দেওয়ার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি মন্তব্য করেছেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বর্তমান সরকার প্রহসনের নজির তৈরি করেছে। শুক্রবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি এই অভিযোগ উত্থাপন করেন। নাহিদ ইসলাম উল্লেখ করেন, লিখিতসহ অন্যান্য সব ধাপে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দেওয়ার পরও দীর্ঘ আট মাস ধরে এই প্রার্থীদের ভেরিফিকেশনের নামে ঝুলিয়ে রাখা এবং হয়রানি করা হয়েছে। পরিশেষে তাদের নিয়োগপত্র প্রদান না করে গভীর হতাশার সাগরে নিক্ষেপ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, বাদ পড়া এসব প্রার্থীর অধিকাংশের বিরুদ্ধেই থানায় কোনো ধরনের ফৌজদারি মামলা কিংবা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) নেই। অতীতে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বা সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। অথচ কোনো ধরনের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা বা সুস্পষ্ট নীতিমালা অনুসরণ ছাড়াই তাদের নিয়োগের বাইরে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ বলেন, মেধার ভিত্তিতে যাচাই-বাছাইয়ের সকল ধাপ সফলভাবে অতিক্রম করার পরও যদি কাউকে অস্বচ্ছ ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে চাকরি থেকে বঞ্চিত করা হয়, তবে তা কেবল ওই তরুণদের সঙ্গেই অবিচার নয়, বরং গোটা রাষ্ট্রীয় নিয়োগ ব্যবস্থাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলে। যাদের বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট ও আইনসম্মত অভিযোগ অনুপস্থিত, এমন প্রতিটি নিরপরাধ প্রার্থীর নিয়োগ দ্রুত নিশ্চিত করার জোরালো দাবি জানান তিনি। একই সঙ্গে বাদ দেওয়ার পুরো প্রক্রিয়া এবং ভেরিফিকেশনের মানদণ্ড জনগণের সামনে পরিষ্কার করার দাবিও উত্থাপন করেন নাহিদ ইসলাম।
গোয়েন্দা ভেরিফিকেশনের নামে মেধাবী তরুণদের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ থেকে বঞ্চিত করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।



0 মন্তব্যসমূহ