নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ভাষণে তিনি বলেন, সমঝোতামূলক বিশ্ব সমাজ প্রতিষ্ঠার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে জাতিসংঘকে দেখতে চায় বাংলাদেশ। বিশ্বায়নের এই যুগে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে ঘটা ঘটনার নেতিবাচক প্রভাব প্রতিটি রাষ্ট্রে পড়ে উল্লেখ করে তিনি জানান, যেকোনো সংঘাতের সমাধান আলোচনা, কূটনৈতিক প্রক্রিয়া এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই হওয়া উচিত। প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও খেলাধুলাসহ নানা দিক তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ এবং এই সংকটের একমাত্র সমাধান হলো তাদের নিরাপদে নিজ ভূমিতে ফিরিয়ে নেওয়া। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ক্লাইমেট জাস্টিস এবং অভিযোজন সহায়তার ক্ষেত্রে COP-31 এ জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেন তিনি। ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পথে যাত্রার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশের তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ মানব সম্পদে রূপান্তর এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে শিক্ষা সিলেবাসে প্রথমবারের মতো স্পোর্টসকে একটি বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের সকল নীতি ও মূল্যবোধের প্রতি বাংলাদেশ অকুন্ঠ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ভাষণে তিনি সমঝোতামূলক বিশ্ব সমাজ গঠন এবং আলোচনার মাধ্যমে সংঘাত সমাধানের ওপর জোর দিয়েছেন।



0 মন্তব্যসমূহ