জাতীয় সংসদে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ পাস হয়েছে। রবিবার বিলটি পাসের আগে আলোচনায় অংশ নিয়ে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের মধ্যে নানামুখী বিতর্ক ও আইনি ব্যাখ্যা বিনিময় হয়। আলোচনায় রুমিন ফারহানা চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে ১৫ হাজারেরও বেশি শিশু নিখোঁজ হওয়ার তথ্য তুলে ধরেন এবং গুমকে স্বতন্ত্র অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতির উদ্যোগকে নীতিগত সমর্থন জানান। তবে তিনি আইনটি তাড়াহুড়ো করে পাস না করে আরও নিবিড় যাচাই-বাছাইয়ের দাবি তোলেন। রুমিন ফারহানা বলেন, অতীতে ঘটে যাওয়া গুমের বিচার নিশ্চিত করতে আইনি জটিলতা নিরসন করা প্রয়োজন। এছাড়া কোনো ব্যক্তিকে আটকের দুই ঘণ্টার মধ্যে ডিজিটাল ডাটাবেজে তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা এবং প্রমাণের প্রাথমিক দায়ভার সংশ্লিষ্ট বাহিনীর ওপর রাখার প্রস্তাব দেন তিনি।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, তিনি রুমিন ফারহানার ফেসবুক পোস্টও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করেন। রুমিন ফারহানার আইনি অস্পষ্টতার অভিযোগ নাকচ করে মন্ত্রী বলেন, বিলের ৩ নম্বর ধারায় এই আইনের প্রাধান্য স্পষ্টভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আগের অধ্যাদেশের প্রশাসনিক জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতা দূর করে গুমের শিকার ব্যক্তিদের সরাসরি ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার পথ সহজ করতেই সরকার এই নতুন বিলটি এনেছে। এদিন সংসদে গুম প্রতিরোধ বিলের পাশাপাশি ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’ এবং ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ পাস হয়।
জাতীয় সংসদে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল ২০২৬ পাস হয়েছে। বিলটি নিয়ে আলোচনার সময় সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের মধ্যে নানামুখী বিতর্ক ও আইনি ব্যাখ্যা বিনিময় হয়।



0 মন্তব্যসমূহ