সম্পর্কে টক্সিসিটি, মানসিক নির্যাতন এবং আত্মনির্ভরশীলতার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে নিজের সুচিন্তিত মতামত তুলে ধরেছেন লেখক শারমীন বানু। তিনি উল্লেখ করেন, কেবল চারিত্রিক স্খলনই নয়, বরং সঙ্গীর সাথে দুর্ব্যবহার, শারীরিক, মানসিক ও আর্থিক নির্যাতন করাও একজন ব্যক্তির নেতিবাচক চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ। অনেক ক্ষেত্রে মানুষ আবেগের বশবর্তী হয়ে বা পারিবারিক সমর্থনের অভাবে এমন বিষাক্ত সম্পর্ক থেকে বের হতে পারে না। শারমীন বানু তার লেখায় আত্মনির্ভরশীলতার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি জানান, নিজের উপার্জনের উৎস না থাকা বা অন্যের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল হওয়া অনেক সময় মানুষকে অসহায় করে তোলে। বিশেষ করে সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে যারা টক্সিক পরিবেশে থেকে যান, তারা আসলে সন্তানদের ওপর এক ধরণের প্রজন্মগত মানসিক আঘাত বা জেনারেশনাল ট্রমা চাপিয়ে দিচ্ছেন। বৈবাহিক জীবনে পরকীয়া বা অসম্মানজনক পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে নিজের মর্যাদা বজায় রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন লেখক। তিনি বলেন, বিয়ে একটি সামাজিক চুক্তি এবং যেখানে নিরাপত্তা নেই, সেখানে সেই চুক্তি বজায় রাখা বাধ্যতামূলক নয়। ধর্মীয় ও আইনি অধিকার ব্যবহার করে এমন পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার সুযোগ রয়েছে। পরিশেষে তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন যে, নিজের ভালো থাকার দায়িত্ব নিজেকেই নিতে হবে এবং টক্সিসিটিকে ভালোবাসা হিসেবে গণ্য করা বন্ধ করতে হবে।
সম্পর্কে টক্সিসিটি ও মানসিক নির্যাতন থেকে বাঁচতে আত্মনির্ভরশীল হওয়া জরুরি। জীবনসঙ্গীর নেতিবাচক আচরণ ও নিজের অধিকার নিয়ে শারমীন বানুর বিশেষ বিশ্লেষণ। জেনারেশনাল ট্রমা থেকে বাঁচতে সচেতন হওয়ার আহ্বান।



0 মন্তব্যসমূহ