Recents in Beach

ব্রেকিং নিউজ

রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের মধ্যে মানবপাচার নিয়ে গবেষণায় দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড পেলেন বাংলাদেশি ইয়াসমিন

রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের মধ্যে মানবপাচার নিয়ে গবেষণায় দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড পেলেন বাংলাদেশি ইয়াসমিন

দক্ষিণ কোরিয়ার সাংকংহে ইউনিভার্সিটির মর্যাদাপূর্ণ ‘প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ইয়াসমিন আক্তার অধরা। কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে মানবপাচারের জটিলতা নিয়ে গবেষণার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। গত ১৩ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট স্কুলের ডিগ্রি প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এই পুরস্কার গ্রহণ করেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ওই অনুষ্ঠানে মোট ২৫৪ জন শিক্ষার্থীকে ডিগ্রি প্রদান করা হয়। এর মধ্যে বিভিন্ন বিভাগের ১৩ জন শিক্ষার্থী প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড পেলেও গ্র্যাজুয়েট স্কুল থেকে একমাত্র ইয়াসমিন আক্তার অধরা এই কৃতিত্ব অর্জন করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের এশিয়ান নন-গভর্নমেন্টাল অর্গানাইজেশনস প্রোগ্রামের শিক্ষার্থী ছিলেন।

ইয়াসমিনের গবেষণার বিষয় ছিল ‘ইন্টারনাল কলোনিজ অব এইড অ্যান্ড মোবিলিটি: হিউম্যান ট্র্যাফিকিং উইদিন দ্য রোহিঙ্গা রিফিউজি-হোস্ট কমিউনিটি ল্যান্ডস্কেপ অব কক্সবাজার।’ তার এই গবেষণায় রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের সামাজিক-অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট, মানবিক সহায়তা এবং নিরাপত্তার সঙ্গে মানবপাচারের গভীর সম্পর্ক বিশ্লেষণ করা হয়েছে। বিশেষ করে চলাচলের সীমাবদ্ধতা কীভাবে পাচারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়, তা তিনি তার থিসিসে তুলে ধরেছেন।

এই অর্জনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে ইয়াসমিন আক্তার অধরা জানান, এই স্বীকৃতি তার জন্য অত্যন্ত গর্বের এবং একই সাথে বড় দায়িত্বের। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকটকে কেবল শরণার্থী সমস্যা হিসেবে না দেখে এর সাথে জড়িত মানবপাচার ও সামাজিক বাস্তবতার জটিলতাগুলো বোঝাই ছিল তার মূল লক্ষ্য। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে তিনি গর্বিত এবং ভবিষ্যতে মানবাধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিয়ে আরও কাজ করার অনুপ্রেরণা পেয়েছেন বলে জানান।

সংক্ষেপে:
দক্ষিণ কোরিয়ার সাংকংহে ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ইয়াসমিন আক্তার অধরা। কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের মধ্যে মানবপাচারের জটিলতা নিয়ে গবেষণার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি এই সম্মাননা লাভ করেন।
রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের মধ্যে মানবপাচার নিয়ে গবেষণায় দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড পেলেন বাংলাদেশি ইয়াসমিন

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ