দেশে এলএনজি কার্গোর অভাবে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। এর ফলে আবাসিক এলাকা, শিল্পকারখানা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, আগামী ২৩ আগস্ট নতুন এলএনজি কার্গো আসার আগ পর্যন্ত এই পরিস্থিতি আরও অন্তত তিন দিন স্থায়ী হতে পারে। বর্তমানে দেশে গ্যাসের দৈনিক চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট হলেও সরবরাহ হচ্ছে মাত্র ২১৯ কোটি ৬০ লাখ ঘনফুটের মতো।
জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আগস্ট মাসে চারটি কার্গো আসার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত একটিও পৌঁছায়নি। মহেশখালীতে অবস্থিত এক্সিলারেট এনার্জি ও সামিটের দুটি ভাসমান টার্মিনালের মধ্যে একটি কারিগরি ত্রুটির পর প্রস্তুত হলেও এলএনজির অভাবে সরবরাহ শুরু করতে পারছে না। এর ফলে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও ময়মনসিংহের শিল্পকারখানাগুলোতে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন শিল্পমালিকেরা।
গ্যাস সংকটের সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিদ্যুৎ খাতেও। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, গ্যাসের অভাবে দেশের ৫২টি গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে ২১টি পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। এর ফলে দেশজুড়ে লোডশেডিংয়ের মাত্রা বেড়েছে, যা অনেক ক্ষেত্রে ২ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যাচ্ছে। ২৩ আগস্ট নতুন কার্গো আসার পর দুটি টার্মিনাল পূর্ণ সক্ষমতায় চললে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।
দেশে এলএনজি কার্গো না আসায় তীব্র গ্যাস সংকটে ব্যাহত হচ্ছে শিল্প উৎপাদন ও বিদ্যুৎ সেবা। পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, ২৩ আগস্ট নতুন কার্গো এলে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।



0 মন্তব্যসমূহ