কক্সবাজারের মহেশখালীতে এলএনজি সংকটের কারণে এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান টার্মিনালটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। বুধবার দুপুর পৌনে তিনটার দিকে টার্মিনালটি থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় বলে জানা গেছে। এর ফলে জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে এবং দেশে চলমান গ্যাস সংকট আরও ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, বুধবার দুপুর ১২টার দিকে দুটি টার্মিনাল থেকে ৬৬ কোটি ১০ লাখ ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হলেও সন্ধ্যা ৬টায় তা কমে ৫৬ কোটি ২০ লাখ ঘনফুটে দাঁড়ায়। বর্তমানে শুধুমাত্র সামিটের টার্মিনাল দিয়ে ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ করা হচ্ছে। আরপিজিসিএলের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বুধবার দুপুর ২টা ৪০ মিনিটের দিকে এক্সিলারেটের টার্মিনালে মজুত এলএনজি পুরোপুরি শেষ হয়ে যাওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, টার্মিনালটি বন্ধ হওয়ার পেছনে প্রধান কারণ কার্গো সংকট। এছাড়া টার্মিনালের বয়লার মেরামত নিয়ে তথ্যের কিছুটা বিভ্রান্তি ছিল। আরপিজিসিএলের ওই কর্মকর্তার ভাষ্যমতে, এক্সিলারেটের পক্ষ থেকে প্রথমে বয়লার সচল করতে ৭২ ঘণ্টা বিরতির কথা জানানো হয়েছিল। পরে বয়লার ঠিক হয়ে যাওয়ার কথা জানানো হলেও ততক্ষণে নতুন কার্গো না আসায় এলএনজি মজুত শেষ হয়ে যায়। ফলে টার্মিনালটি সচল রাখা সম্ভব হয়নি। নতুন কার্গো না আসা পর্যন্ত এখন সামিটের টার্মিনালের মাধ্যমেই এলএনজি সরবরাহ সচল রাখতে হবে।
মহেশখালীতে এলএনজি সংকটের কারণে এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান টার্মিনাল বন্ধ হয়ে গেছে। এতে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় দেশজুড়ে চলমান গ্যাস সংকট আরও প্রকট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।



0 মন্তব্যসমূহ