সমকালীন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম পরিচিত মুখ কবি কামরুল হাসানের সাহিত্যকর্ম ও জীবন নিয়ে এক বিশেষ সংকলন প্রকাশিত হয়েছে। তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘সহস্র কোকিলের গ্রীবা’, ‘দশদিকে উৎসব’, ‘ঈশ্বরের নিজ গ্রহ’ এবং ‘তোমার অকূল জলে ঈশ্বর’। তার কবিতায় প্রকৃতি, আধ্যাত্মিকতা, নগরজীবন এবং মানবিক অনুভূতির নিপুণ চিত্রায়ন ফুটে উঠেছে।
১৯৬১ সালের ২২ ডিসেম্বর শরীয়তপুরে জন্মগ্রহণ করা এই গুণী ব্যক্তিত্বের শিক্ষাজীবন অত্যন্ত বর্ণাঢ্য। তিনি ভারতের আইআইটি খড়গপুর থেকে প্রকৌশলবিদ্যায় স্নাতক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে ব্রিটেনের ব্রাডফোর্ড ও এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনি ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন।
সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য কামরুল হাসান অরণি সাহিত্য পুরস্কার (২০২৩), কাশবন সাহিত্য পুরস্কার (২০২৪) এবং সার্ক সাহিত্য পুরস্কার (২০২৫) সহ অসংখ্য সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। তার প্রকাশিত গ্রন্থের তালিকায় কবিতার পাশাপাশি ছোটগল্প, প্রবন্ধ, ভ্রমণকাহিনী ও অনুবাদ গ্রন্থও রয়েছে। বিশেষ করে ‘বিলেতের দিনলিপি’ ও ‘মহাদেশের মতো এক দেশে’ তার উল্লেখযোগ্য ভ্রমণবিষয়ক গ্রন্থ।
তার সেরা দশ কবিতার তালিকায় ‘ট্রেন’, ‘তোমার অকূল জলে ঈশ্বর’, ‘নগর দ্রৌপদী’, ‘কিশোরীর ঘুম’, ‘আলো ও ঈশ্বরের দৌড়’, ‘তোমাদের শহর দেখতে যাব’, ‘সংযোজনা ও ভাঙচুর’, ‘বিভ্রান্ত বালকও ঘুরেছে’, ‘টিয়ানা’ এবং ‘অভাগা কৃপণ কূলে’ স্থান পেয়েছে। এই কবিতাগুলোতে কবির নিজস্ব দর্শন ও শৈল্পিক বোধের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।
সমকালীন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী কবি কামরুল হাসানের সেরা দশ কবিতা ও তার বর্ণাঢ্য সাহিত্য জীবনের বিস্তারিত জানুন। প্রকৌশলী থেকে শিক্ষক ও কবি হয়ে ওঠার এই অনন্য গল্পটি পড়ুন।



0 মন্তব্যসমূহ