২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে পাসের হার এবং জিপিএ-৫ উভয় সূচকেই ছেলেদের তুলনায় বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা। ১১টি শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর মেয়েদের পাসের হার ৬৬.৬৮ শতাংশ, যেখানে ছেলেদের পাসের হার ৫৭.৮৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ প্রাপ্তির ক্ষেত্রেও ছাত্রীরা নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর ৯ লাখ ১১ হাজার ছাত্রীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৬ লাখ ৭ হাজার ৯৩৯ জন। অন্যদিকে, ৯ লাখ ১৭ হাজার ৬৯৪ জন ছাত্রের মধ্যে পাস করেছে ৫ লাখ ৩০ হাজার ৯৩৮ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৩ হাজার ৮৯৬ জন ছাত্রী এবং ৫২ হাজার ৭৮০ জন ছাত্র।
আঞ্চলিক পর্যায়ের ফলাফলেও মেয়েদের আধিপত্য লক্ষ্য করা গেছে। চট্টগ্রামের ডা. খাস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় থেকে ৩২৭ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে, যেখানে চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৯৩ জন। একইভাবে ময়মনসিংহের বিদ্যাময়ী সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জের সরযূ বালা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় এবং নেত্রকোনা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের ফলাফলও সংশ্লিষ্ট শহরের ছেলেদের স্কুলের তুলনায় ভালো হয়েছে।
সাবেক প্রধান শিক্ষক মো. মোতাহার হোসেন এই ফলাফলের বিশ্লেষণে জানান, সরকারি উপবৃত্তি ও বিভিন্ন প্রণোদনামূলক উদ্যোগ মেয়েদের পড়াশোনায় উৎসাহিত করছে। পাশাপাশি মেয়েরা পড়াশোনায় অধিক সময় দিচ্ছে এবং অভিভাবকরাও তাদের প্রতি অধিক যত্নশীল। অন্যদিকে, ছেলেদের আড্ডা, খেলাধুলা ও মুঠোফোনের অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে তারা পিছিয়ে পড়ছে বলে তিনি মনে করেন। সামাজিক ভারসাম্য রক্ষায় ছেলেদের পড়াশোনায় আরও মনোযোগী করতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এই শিক্ষাবিদ।
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা। মেয়েদের পাসের হার ৬৬.৬৮ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৩ হাজার ৮৯৬ জন।



0 মন্তব্যসমূহ