চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য বরাদ্দ করা বোরো ধানের বীজ বিতরণ না করে মাদ্রাসায় মজুত রাখার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে চরম্বা জামেউল উলুম মাদ্রাসায় অভিযান চালিয়ে এসব বীজ উদ্ধার করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বায়েজিদ বিন আখন্দ।
অভিযুক্ত শামসুল আলম হেলালী ওই মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এবং চরম্বা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসনের জন্য সরকারিভাবে তাকে এই বীজ ধান বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী কৃষকদের মাঝে তা বিতরণ করার কথা থাকলেও তিনি সেগুলো মাদ্রাসার একটি কক্ষে রেখে দেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাজি শফিউল ইসলাম জানান, চরম্বা ইউনিয়নের ৩৪ জন কৃষকের প্রত্যেকের জন্য ৫ কেজি করে বীজ ধান বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। নিয়ম বহির্ভূতভাবে এই বীজগুলো মাদ্রাসায় রাখা হয়েছিল বলে তিনি নিশ্চিত করেন।
অভিযোগের বিষয়ে শামসুল আলম হেলালী জানান, ব্যক্তিগত কাজে ব্যস্ত থাকায় সময়মতো কৃষকদের কাছে ধানগুলো হস্তান্তর করা সম্ভব হয়নি। তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশের পর রাতেই সেগুলো সরবরাহ করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বায়েজিদ বিন আখন্দ জানান, অন্য একটি কাজে মাদ্রাসায় গিয়ে তিনি ধানগুলো দেখতে পান। পরবর্তীতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সেগুলো কৃষকদের মাঝে বিতরণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি বীজ ধান মাদ্রাসায় মজুত রাখার অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে বীজগুলো উদ্ধার করে দ্রুত বিতরণের নির্দেশ দেন ইউএনও।



0 মন্তব্যসমূহ