সরকার সর্বোচ্চ দায়বদ্ধতা ও দায়িত্ববোধ নিয়ে বন্যার্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। শনিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি দেশব্যাপী বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ ও দিকনির্দেশনা তুলে ধরেন। মাহদী আমিন জানান, প্রবল বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় মানুষের চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিজে এবং তাঁর টিমের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।
মুখপাত্র আরও জানান, ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোর বিভাগীয় কমিশনার, ডিআইজি, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে প্রধানমন্ত্রী সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। উদ্ধার কাজে স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, বিজিবি ও কোস্টগার্ডকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। এছাড়া পানিবাহিত রোগ মোকাবিলায় পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন ও ওষুধসহ মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ইতোমধ্যে ২ কোটি টাকার বেশি আর্থিক অনুদান এবং প্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী বরাদ্দ করা হয়েছে। পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোতে এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তাঁর দলের অঙ্গ-সংগঠনগুলোকেও উদ্ধার ও ত্রাণ কাজে নামার নির্দেশ দিয়েছেন। পানি নেমে যাওয়ার পর দ্রুত রাস্তাঘাট মেরামত এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও খামারিদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার উদ্যোগ শুরু হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সেক্রেটারি মো. সুজাউদ্দৌলা ও শাহাদত হোসেন স্বাধীন, সহকারী প্রেস সচিব মো. নাজমুল হক খান এবং আবদুল্লাহ আল মাহমুদ শাহরিয়ার উপস্থিত ছিলেন।
চট্টগ্রামসহ ৫ জেলায় বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চলছে। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ২ কোটি টাকা বরাদ্দ ও এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।



0 মন্তব্যসমূহ