টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের পানি নেমে যাওয়ার পর কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় বন্যার ভয়াবহ ক্ষতচিহ্ন দৃশ্যমান হচ্ছে। ঘরবাড়ি, ফসলি জমি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় উপাসনালয়সহ সর্বত্রই এখন ধ্বংসস্তূপের চিত্র। পানি সরে গেলেও ঘরবাড়ি থেকে কাদামাটি সরাতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্লাবিত এলাকাগুলোতে বর্তমানে সুপেয় পানি ও খাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। সরকারিভাবে ত্রাণ বিতরণ শুরু হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয় বলে জানা গেছে। এবারের বন্যায় জেলার চকরিয়া, মাতামুহুরি ও পেকুয়া উপজেলার সবকটি ইউনিয়ন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে চকরিয়ায় ত্রাণ বিতরণকালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন ক্ষতিগ্রস্তদের পূর্ণ সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি জানান, পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগ লাঘব না হওয়া পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সাহায্য প্রদান করা হবে। প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন আরও বলেন, ত্রাণ কার্যক্রমে কোনো দুর্গত মানুষ যেন বাদ না পড়ে সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসন ও ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো সংস্কারের জন্য সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে এবং সেই অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
চকরিয়া ও পেকুয়ায় বন্যা পরবর্তী ভয়াবহ ক্ষতচিহ্ন ফুটে উঠেছে। খাবার ও পানির সংকটে থাকা দুর্গতদের পাশে থাকার এবং দ্রুত পুনর্বাসনের আশ্বাস দিয়েছেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন।



0 মন্তব্যসমূহ