২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে শেষ ১৬-তে জায়গা করে নিয়েছে মরক্কো। নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ের খেলা ১-১ সমতায় শেষ হওয়ার পর টাইব্রেকারে ৩-২ ব্যবধানে জয় পায় দলটি। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে ডাচ ডিফেন্ডার জান পল ফন হেকের সাথে সংঘর্ষে মরক্কোর স্ট্রাইকার ইসমাইল সাইবারির গাল কেটে রক্ত ঝরলেও সেই অবস্থাতেই তিনি জয়সূচক পেনাল্টি গোলটি করেন। গোল করার পর গ্যালারিতে থাকা মায়ের কাছে ছুটে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন এই ফুটবলার। শৈশবে পায়ের সমস্যার কারণে চিকিৎসকরা সাইবারির হাঁটা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করলেও তাঁর মায়ের নিরলস সেবা ও বিশ্বাসে তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন। মরক্কো দলের এই সাফল্যের পেছনে খেলোয়াড়দের মায়েদের ত্যাগের বড় ভূমিকা রয়েছে। আশরাফ হাকিমি ও সোফিয়ান বুফালের মতো তারকাদের মায়েরা প্রবাসে কঠোর পরিশ্রম করে সন্তানদের ফুটবলার হিসেবে গড়ে তুলেছেন। মরক্কো ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি ফাউজি লেকজা এবং সাবেক কোচ ওয়ালিদ রেগ্রাগুই খেলোয়াড়দের মানসিক শক্তি বাড়াতে মায়েদের দলের সাথে রাখার বিশেষ ব্যবস্থা করেন। ধর্মীয় ও পারিবারিক মূল্যবোধকে সঙ্গী করে মরক্কো ফুটবল দল বিশ্বমঞ্চে অনন্য এক উদাহরণ সৃষ্টি করেছে।
নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ১৬-তে মরক্কো। রক্তমাখা শরীরে গোল করে মায়ের বুকে মাথা রেখে কাঁদলেন ইসমাইল সাইবারি। মায়েদের ত্যাগ ও দোয়ায় ফুটবল বিশ্বে নতুন রূপকথা লিখছে মরক্কো।



0 মন্তব্যসমূহ