পঞ্চগড়ে ধর্ষনের শিকার তরুনীর আত্মহত্যা বিচারের দাবী


মোঃ কামরুল ইসলাম কামু, পঞ্চগড়ঃ  

পঞ্চগড়ে  ধর্ষনের শিকার তরুনীর আত্মহত্যা ‘ এ ঘটনায় ধর্ষকের বিচারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছে তার পরিবার। বুধবার বিকালে পঞ্চগড় জেলা রিপোর্টার্স ক্লাবে লিখিত বক্তব্যে তরুণীর মা নুরজাহান বেগম ধর্ষক জুয়েল ইসলাম, তার মেয়ে হত্যার প্ররোচনার সুষ্ঠু বিচারের দাবী করেন। 

তিনি বলেন, আমার মেয়ের শোয়ার রুমে গভীর রাতে গিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষন করে, চিৎকারের এক পর্যায়ে তাকে আটক করার চেষ্টা করা হলে সে পালিয়ে যায়। ওই সকালে আমরা বাড়ির বাইরে গেলে মেয়ে একা ঘরে আত্মহত্যা করে। ওই ঘরে ছেলের ব্যবহৃত মোবাইল পরিহিত জুতা,জাঙ্গিয়া, মাফলার পাওয়া যায়।সেগুলো পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে কিন্তু পুলিশ কোন সহযোগিতা করেনি। ধর্ষক জুয়েল একই ইউনিয়নের ডাঙ্গা পাড়া এলাকার আব্বাস আলীর ছেলে।তার স্ত্রী ও সন্তনও রয়েছে।ঘটনার পর থেকে জুয়েল লাপাত্তা হয়েছেন। 

এর আগে ময়না আক্তার (১৭) শনিবার (২৮ জানুয়ারী) সকালে নিজ বাড়িতে আত্মহত্যা করে। ময়নাতদন্ত শেষে রোববার দুপুরে ময়নার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।নিহত ময়না বোদা উপজেলার কালিয়াগঞ্জ কাজলদিঘী ইউনিয়নের ঝলঝলি বানিয়া পাড়া এলাকার ছুরহাব আলীর মেয়ে এবং কামাতকুঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীর ছাত্রী। জানা যায়, শুক্রবার রাতে ময়নার শোয়ার ঘরে ডাঙ্গাপাড়া এলাকার আব্বাস আলীর ছেলে জুয়েল জোর পূর্বক ধর্ষন করে।

এঘটনা বাইরে জানাজানি হলে শনিবার সকালে নিজ বাড়িতেই ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে সে। সংবাদ সম্মেলনে, তরুনীর মা নুর জাহান বেগম,বাবা ছুরহাব আলী,চাচা আলাউদ্দিন ও সাহাব উদ্দিন স্থানীয় লোকজন সহ গন্যমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।  

এদিকে বোদা থানার ওসি সুজয় কুমার রায় জানান,থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ