চুরি যাওয়া গরু উদ্ধার, দু’টি অক্ষত,একটি জবাই করা


হাসানুজ্জামান হাসান, লালমনিরহাটঃ
 

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের লতাবর (বোতলা) মৌজার মৃত মহর উদ্দিনের ছেলে ছাবেদ আলীর বাড়ি তল্লাশি চালিয়ে একটি জবাই করা ষাড় গরু এবং অক্ষত অবস্থায় আরো দুটি গরু উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ, প্রত্যক্ষদর্শী ও গরুর মালিক সূত্রে জানা যায়, উপজেলার  নওদাবাস গ্রামের জগদীশ চন্দ্র পিতা নীলকান্ত রায়ের বাড়ির গোহাল ঘরের বেড়া কেটে গত ২২ ডিসেম্বর গভীর রাতে একটি ষাড় গরু চোরে নিয়ে যায়। ভোর রাতে ঘুম ভাঙ্গলে গোহাল ঘরে গিয়ে দেখে গরু নাই। এ অবস্থায় গরুর পায়ের চিহ্নের সুত্র ধরে জগদীশ চোরের বাড়ি শনাক্ত করতে পারলেও গরু উদ্ধার করতে পারেনি । চলে দেন-দরবার। ১০ হাজার টাকা দিতে চেয়েও ব্যর্থ হন জগদীশ।

অবশেষে কালীগঞ্জ থানায় সন্দেহভাজন কয়েকজনের নামে এজাহার করেন। পুলিশ এসে প্রথম দফায় ব্যর্থ হন। পরে ২৫ বীট ইনচার্জ এসআই আলী সঙ্গীয় ফোর্সসহ কথিত চোর ছাবেদ আলীর  বাড়ি তল্লাশি চালিয়ে ঘরের চৌকির নিচ থেকে খন্ড বিখন্ড অবস্থায় চুরি যাওয়া ষাড় গরুটি উদ্ধার করে।

চোরাই গরু উদ্ধারের খবর শুনে শত শত উৎসুক্য জনতা ভীড় জমে। কিছুদিন আগে চুরি যাওয়া গোড়ল ইউনিয়নের পাইকারটারি গ্রামের মৃত সুরেন সাধুর ছেলে জগদীশ চন্দের একটি গরু এবং একই ইউনিয়নের সেবকদাস গ্রামের আশরাফ আলীর ছেলে সোহেল রানার একটি দামড়ী গরু ছাবেদের বাড়ি থেকে পুলিশ উদ্ধার করে।

জবাই করা গরুটি পচনশীল হওয়ায় তা গরুর মালিকের জিম্মায় দিলে তাৎক্ষনিক তা ১০ হাজার টাকা জনৈক ব্যক্তি কিনে নেয়। যার বাজার মূল্য আনুমানিক ৭০ হাজার টাকা হবে। অন্য দুটি গরুর প্রকৃত মালিক প্রমান সাপেক্ষে ফেরৎ দেয়া হবে বলে জানান এসআই আলী।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ