সৈয়দপুরে ভেজাল বিরোধী অভিযান, তিন প্রতিষ্ঠানের জরিমানা: ভেজাল শিশুখাদ্য ধ্বংস


মিজানুর রহমান মিলন, সৈয়দপুরঃ 

সৈয়দপুরে জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে ভেজাল বিরোধী  অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে শহরেী শহীদ জহুরুল হক সড়কের ৩টি শিশুখাদ্য, পণ্যের দোকানে ওই অভিযান পরিচালনা করা হয়। 

র‌্যাব-১৩ সিপিসি-২ নীলফামারী ক্যাম্পের সহযোগিতায় ওই অভিযান পরিচালনা করেন সৈয়দপুর উপজেলা সহকারি কমিশনার ( ভূমি) মো. রমিজ আলম ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক মো. বোরহান উদ্দিন। জানা যায়, সৈয়দপুর শহরে শহীদ জহুরুল হক সড়কের বিভিন্ন দোকানে বিস্কুট, চানাচুর, চিপস্, জুস, শনপাপড়ী,লজেন্স, সন্দেশ, আচার, সরিষার তেলসহ মেয়াদোত্তীর্ণ ও বিএসটিআই এর অনুমোদন ছাড়া বিভিন্ন শিশুখাদ্য বেচাকেনা হয়ে আসছিল ওই সড়কের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে। মুখরোচক ওইসব শিশুখাদ্য খেয়ে বিভিন্ন এলাকার কোমলমতি শিশুরা পেটের পীড়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

আর এমন তথ্য ও অভিযোগ পেয়ে অভিযান পরিচালনা করা দুটি দল ওই এলাকায় অভিযান চালায়। এসময়  বিএসটিআই'র অনুমোদন ছাড়া এবং স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর মেয়াদোত্তীর্ণ  ভেজাল ও নিম্নমানের শিশুখাদ্য সংরক্ষণ ও বিক্রয়ের দায়ে বিভিন্ন ধারায় এরশাদ স্টোরের ১৫ হাজার, জাহিদ স্টোরের ১৫ হাজার ও রেজোয়ান স্টোরের ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এসময় জাহিদ স্টোর ও এরশাদ স্টোর থেকে বিভিন্ন কোম্পানির উপরে উল্লেখ করা লক্ষাধিক টাকার শিশুখাদ্য জব্দ করা হয়। 

অভিযানে জরিমানা ও মালামাল জব্দ করেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. রমিজ আলম ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক মো. বোরহান উদ্দিন। এসময় উপস্থিত ছিলেন র‌্যাব-১৩,সিপিসি-২ নীলফামারী ক্যাম্পের ক্যাম্প

কমান্ডার সিনিয়র সহাকারি পুলিশ সুপার মুন্না বিশ্বাস, সৈয়দপুর উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মো. অহিদুল হক,পৌর স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. আলতাফ হোসেন সরকারসহ র‌্যাবের অন্যান্য সদস্যরা। পরে শহরের মিস্ত্রীপাড়া বাইপাস সড়ক এলাকার একটি ফাঁকা স্থানে অভিযান পরিচালনা করা দুই কর্তার উপস্থিতিতে  জব্দ করা ওইসব মালামাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। এদিকে অভিযানের খবর পেয়ে শহীদ জহুরুল হজ সড়কের ভেজাল ও শিশু খাদ্য বিক্রি করা দোকানপাট বন্ধ করে সটকে পড়ে দোকান মালিকরা। পরে অভিযান পরিচালনা করা দলটি চলে যাওয়া মাত্রই আবারও খোলা হয় ওইসব দোকান। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য