তিস্তা নদী সুরক্ষা ও ভাঙন-বন্যা রোধের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন


শরিফা বেগম শিউলী রংপুর প্রতিনিধিঃ

১ নভেম্বর ২৩০ কিলোমিটার মানবন্ধন ‘তিস্তা বাঁচাও, নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদথ এর আয়োজনে তিস্তা নদীর দুই তীরে ২৩০কিলোমিটার মানববন্ধন বিষয়ক সংবাদ সম্মেলন। স্থানীয় সুমি কমিউনিটিতে ৩০ অক্টোবর সকাল সাড়ে দশটায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম হক্কানী লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শফিয়ার রহমান এর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন সংঠনের স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তুহিন ওয়াদুদ।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- তিস্তা বাঁচাও, নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য শফিকুল ইসলাম কানু, আমিন বিএসসি, মোজফফর হোসেন, অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী, মাহমুদ আলম, মাহাবুব আলম, আমিনুর রহমান, 

সাদেকুল ইসলাম দুলাল, আব্দুর নুর দুলাল, বখতিয়ার হোসেন শিশির, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নুরুজ্জামান খানসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ উপস্তিত ছিলেন।

সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন নজরুল ইসলাম হক্কানী। সংবাদ সম্মেলনে জানানে হয় তিস্তা নদী বাংলাদেশ অংশে ১১৫ কিলোমিটার প্রবাহিত। এ অংশে প্রতিবছর বন্যা আর ভাঙনে লাখ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বন্যা এবং ভাঙনের হাত থেকে মুক্তি চান নদী তীরবর্তী মানুষ। 

তিস্তা নদীর সুরক্ষা, দুই তীরের বন্যা-ভাঙন রোধ ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণের দাবিতে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিস্তা নদী নিয়ে যে মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন তারও দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানানো হবে মানব-বন্ধনে।

লিখিত বক্তব্যে আরও জানানো হয় ১ নভেম্বর ২০২০, রবিবার, সকাল ১১টায় এ নদীর সুরক্ষার জন্য ‘তিস্তা বাঁচাও, নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদথ এর পক্ষে তিস্তার দুইতীরে ২৩০ কিলোমিটার মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়েছে। 

তিস্তা নদীর প্রবেশ মুখ বাংলাদেশের নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই জিরো পয়েন্ট থেকে গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের হরিপুর ঘাট (এখানে তিস্তা ব্রহ্মপুত্রে মিলেছে) পর্যন্ত মানববন্ধন হবে। সারাদেশে অতীতে এতবড় মানববন্ধন হয়েছে কিনা জানা নেই। নদীর জন্য যে এত বড় মানববন্ধন হয়নি। একথা বলা যায়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য