চাড়াল কাটা নদীর বালু চুরি করে বিক্রি করছে ইউনিয়ন পরিষদ মহিলা সদস্য

রংপুর ব্যুরো অফিসঃ
নীলফামারীতে চাড়াল কাটা নদীর বালু চুরি করে নদীর পাড় কেটে বিক্রি করল ইউনিয়ন পরিষদ মহিলা সদস্য জোলেখা বেগম করোনকালীন সময় থেকে তার স্বামী বালু ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন কে দিয়ে এলাকায় গোড়ে তোলেন একটি শক্তিশালী বালু মহল চুরির সিন্ডিকেট এই সিন্ডিকেট দিয়ে প্রতিদিন শত শত টলি বালু বিক্রি করছে জোলেখা আলমগীর গং।  

নীলফামারী সদর উপজেলার কচুকাটা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড এর বাজিত পাড়া ঘাটের পাড় ব্রিজের নিচে প্রায়-২৫০ মিটারের বেশি নদীর বাধ কেটে বালু বিক্রির অভিযোগ উঠেছে ৭,৮,৯নং ওয়ার্ড মহিলা ইউপি সদস্য জোলেখা বেগম ও তার স্বামী আলমগীর হোসেন এর বিরুদ্ধে। 

কচুকাটা ইউনিয়ন পরিষদে সদস্যদের নামের তালিকায় থাকা ১৪ নম্বরে জোলেখা বেগম, মহিলা সদস্য (৭,৮,৯ওয়ার্ডের মোবাইল নং-০১৭৯৬০১১৩৭৭) ব্যবহার করছেন তার স্বামী বালু ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন, এই নম্বর দিয়েই তিনি বালু চুরি সিন্ডিকেটের সকল কাজ ও ভাগ-বাটোয়ারা সবই করে থাকেন, যা তার দীর্ঘ কল লিষ্ট যাচাই করলে এর সত্যতা খুজে পাওয়া যাবে। 

৭,৮,৯নং ওয়ার্ড মহিলা সদস্য জোলেখা বেগম, বালু চুরির বিষয়ে বলেন, ভাই এটা নিয়ে বারাবারি করিয়েন না, যা হবার হইছে আমরা আর বালু তুলব না আমার স্বামী আলমগীর হোসেন এর সাথে কথা বলেন সম্যসা নাই আসেন বসি। 

৮নং ওয়ার্ডের ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মাহাতাব আলী বলেন, জোলেখা বেগম যে, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আমিও একই পরিষদের সদস্য কি ভাবে বাধা দিব, কেউ তো বাধা দেয় না ঘাটের পাড় বালুর পয়েন্টে সবাই আসে। পুলিশ, সাংবাদিক, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও বিভিন্ন অফিসের লোকজন আসি জোলেখা ও আলমগীর কে ফোন দেয় আলমগীরের লোকজন আসিয়া টাকা,পয়সা দিয়া যায় এই ভাবে চালাচ্ছে বালু চুরির পয়েন্ট।

কচুকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুর রউফ চৌধুরী চাড়াল কাটা নদীর খননকৃত বালু চুরির বিষয়ে বলেন, ৭,৮,৯ মহিলা সদস্য জোলেখা বেগম ও তার স্বামী আলমগীর কে অনেক বার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সতর্ক করা হয়েছে এর পরে আবার ইউএনও নীলফামারী সদর, তাকে সতর্ক করেছে তাও তারা বাধা শোনে না কি করার আছে।

নীলফামারী সদর সহকারী কমিশনার ভূমি বেলায়েত হোসেন বলেন, এই বালু পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক চাড়াল কাটা নদী খননকৃত বালি এটা সরকারি সম্পত্তি যারা অবৈধভাবে এই সম্পত্তি চুরি করে বিক্রয় করছেন সে যেই হোক তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। 

সৈয়দপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবার্হী প্রকৌশলী কৃষ্ণ কমল চন্দ্র সরকার জানান, চাড়াল কাটা নদীটি খননের কাজ আমরা করেছি নদীর পাড় কেটে বালু বিক্রির বিষয়টি এর আগেও শুনেছি মহিলা ইউপি সদস্য ও তার স্বামী আলমগীর হোসেন এর কথা। আমি ঘটনাস্থলে এখনি লোক পাঠাচ্ছি বিষয়টি দেখার জন্য। 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলকাবাসী জানান মেম্বাররা এলাকায় কোনো নিয়ম কানুন মানছেন না টাকার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন ইউনিয় পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে আবার ভোট আসতেছে ভোট কেনার টাকা লাগিবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে টার্গেট করে ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যরা জোট বেঁধে বালু চুরিতে নেমেছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য