নীলফামারীতে নদী খননের বালু যাচ্ছে ঢাকায় মহামারীর আশংকায় জনজীবন

ব্যুরো অফিসঃ সারাবিশ্বের ন্যায় যখন করোনা ভাইরাস সংক্রমনের আতংকে দেশকে লকডাউনে রেখেছে সরকার। যার ফলে প্রশাসন ব্যস্ত থাকে, এই সুযোগ পেয়ে নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার টেংগনমারী বটতলা সদর উপজেলার কচুকাটা ইউনিয়নের উত্তরপাড়া এলাকা দিয়ে চাড়ালকাটা নদী খননের বালু হরিলুট করছে অসাধু বালু ব্যবসায়ীরা। এই নদীটি নীলফামারী সৈয়দপুর পাউবোর অধীনে খনন কাজ শুরু হলেও চোখের সামনে হরিলুট হচ্ছে কোটি টাকার বালু ,যেন দেখার নেই কেউ। শনিবার দুপুরে সরেজমিনে গেলে জানা যায়, কচুকাটা উত্তরপাড়ার অসাধু ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন চাড়ালকাটা নদী খননের বালু, নদীর বাঁধ থেকে শতশত ট্রাক্টর ট্রলিতে নিয়ে যাচ্ছে। এসব বালু নদীর কাছেই গাড়ী প্রতি ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে, এবং যারা নিয়ে যাচ্ছে তারা বিক্রি করছে ৮০০ থেকে ১২ শত টাকা। অথচ নদীর খননকৃত এই বালু দিয়ে দুই ধারে বাঁধ বাধার কথা থাকলেও সেটা হচ্ছে না। রাতারাতী বালু বিক্রি করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছো বণে যাচ্ছে অনেকে। বালু মহল মাটি ব্যবস্থাপনা আইনকে বৃদ্ধাঙ্গগুল দেখিয়ে দিনে দুপুরে শতশত ট্রলিতে করে বিভিন্ন পয়েন্টে বালু রেখে ট্রাক দিয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করছে তারা। সারাদেশ লকডাউনে থাকায় বেশ কিছু যানবাহন ছাড়া সব ধরনের গাড়ী চলাচল নিষিদ্ধ করেছে সরকার। সরকারী নিষেধ অমান্য করে বালু নিয়ে ঢাকা যাতায়াত করার ফলে মহামারীর আশংকায় রয়েছে এলাকার জনজীবন। স্থানীয়দের অভিযোগ এই সব বালু ট্রাক দিয়ে ঢাকায় যাতায়াতের ফলে আমরা মহামারীর আশংকায় আছি। এই ট্রাকগুলোতে ঢাকা থেকে আসছে শতশত মানুষ। এরা সরকারের লকডাউনো মানছে না। ঘরে থাকছেনা, বেড়াচ্ছে হাট বাজারে আতংকে সাধারন মানুষ। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী মুঠো ফোনে বলেন, কোনমতে বালু নিয়ে এসব গাড়ী ঢাকা য়াতায়াত করতে পারেনা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য