কক্সবাজার শহর জুড়ে চলছে অতিরিক্ত ভাড়া নৈরাজ্য, বিপাকে স্থানীয় সহ পর্যটক

মোঃ সাখাওয়াত হোসাইনঃ
একের পর এক অজুহাত সৃষ্টি করে বেশি ভাড়া আদায় করে নিচ্ছে সিএনজি চালিত অটোরিকশা ও ব্যাটারি চালিত ইজি বাইক টমটম । রাস্তা নষ্ট, যানজট, রিজার্ভ ভাড়া আছে, গাড়ি খারাপ প্রভৃতি অজুহাতের কমতি নেই কক্সবাজার শহরে। বিশেষ করে সকাল ৭ টা থেকে ৯ টা ও বিকেল ৩ টা থেকে ৬ টা পর্যন্ত অধিক হারে চলে এ নৈরাজ্য। যত্রতত্র বৈধ কাগজপত্র বিহীন গাড়ি পার্কিং ও আনাড়ি চালকের দৌরাত্ম্য থাকলেও সংশ্লিষ্ট পুলিশের নীরবতায় সড়কে শৃংখলা আসছে না বলে যাত্রীদের অভিযোগ। অসাধু চালকদের ইচ্ছেমতো বর্ধিত ভাড়া সন্ত্রাসের খপ্পরে পড়ে যাত্রী সাধারণের ত্রাহি অবস্থা হয়েছে। পাশপাশি অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে সন্ত্রাসী প্রকৃতির মূর্খ চালকদের হাতে শারীরিক ভাবে নিগৃহীতের পাশাপাশি অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজের শিকার হচ্ছে দেশি-বিদেশি পর্যটক ও যাত্রী সাধারণ। আবার অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ভাড়া চাওয়ায় চালকদের উপর চড়াও হচ্ছে মেজাজ হারা যাত্রীরা। ফলে নিত্য-দিন ঝিলংজার বাংলাবাজার, লিংকরোড়, কলেজ গেইট, সদর উপজেলা গেইট বাজার, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল ও তার আশ-পাশ এলাকা, কলাতলির হোটেল- মোটেল জোন, লাবনী পয়েন্ট, কলাতলি হয়ে হিমছড়ি, ইনানী রোড়, শহরের প্রধান সড়ক হলিড়ে মোড় হয়ে সিটি কলেজ, বিজিবি ক্যাম্প এলাকায় এই ভাড়া নৈরাজ্য চলছে। এছাড়া কক্সবাজার পৌরসভার অলিতে-গলিতে চলাচলরত রিক্সা, অটোরিক্সা ও এলাকা ভিত্তিক লাইসেন্স বিহীন টমটম চালকরা অনেকটা ঘোষণা দিয়ে এই অবৈধ ভাড়া নৈরাজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। এসব দেখ-ভালোর দায়িত্বে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, পৌর কর্তৃপক্ষ, ঝিলংজা ইউনিয়ন পরিষদ, পিএমখালী ইউনিয়ন পরিষদ সর্বোপরি প্রশাসন থাকলেও অসাধু চালকদের ভাড়া নৈরাজ্য বন্ধে সংশ্লিষ্টরা কার্যকর কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। কক্সবাজারের অভিজ্ঞ মহলের মতে-সংশ্লিষ্টদের উদাসিনতায় বেপরোয়া চালকরা আরো দ্বিগুণ উৎসাহে যাত্রী সাধারনের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে যাচ্ছে। এতে করে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হচ্ছে সাধারণ মানুষের মনে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য