কিশোরগঞ্জ থানার এস.আই জাহিদ হাসানের প্রত্যারণা ও অন্যায়ের বিচারের দাবীতে সংবাদ সন্মেলন

মোঃ সাদিক-উর রহমান শাহ্ (স্কলার):
 নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ থানার এস.আই জাহিদ হাসানের প্রত্যারণা ও অন্যায়ের বিচারের দাবীতে সাংবাদিকদের নিয়ে ‘মাগুড়া ডায়াগনোস্টিক সেন্টার, কিশোরগঞ্জে সংবাদ সন্মেলন করেছেন গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা ভূমিহীন মোকছেদুল ইসলাম। ৬ অক্টোবর/১৯ রোজ রবিবার সকাল ১১ টার সময় এস.আই জাহিদ হাসানের প্রত্যারণার স্বীকার ভুক্তভূগি নির্যাতিত মোকছেদুল জানান, সে অসহায়, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী গরীব মানুষ। প্রতিদিনের ন্যায় যথানিয়মে রাত ৮ টার সময় দোকান বন্ধ করে দোকানের মালামাল ক্রয়ের উদ্দেশ্যে ০৬/০৯/২০১৯ইং বড়ভিটা বাজারে পায়ে হেঁটে যায়। পথিমধ্যে বড়ভিটা বলখেলার মাঠে তৎসময়ে চলমান ‘দি সেভেন সার্কাশ’ -এর সামনে দাড়িয়ে অন্যান্য লোকদের ন্যায় দেখতে থাকে। এ সময় কিশোরগঞ্জ থানার এস.আই জাহিদ ও আর একজন নাম না জানা লোক তাকে ধরে সার্কাশের সামনে চা, পানের দোকানের পিছনে নিয়ে যায়। তার পরনের লুঙ্গি খুলে উলঙ্গ করে সার্স করে। এ সময় লুঙ্গির কোচায় লুকিয়ে রাখা মানি ব্যাগ মাটিতে পড়ে যায়। মালামাল ক্রয়ের জন্য রাখা মানি ব্যাগ থেকে ৫৭০০/-(পাঁচ হাজার সাতশত) টাকা বের করে এস.আই.জাহিদ নিয়ে নেন। বাধা প্রদান করলে উপস্থিত দেখতে থাকা শপিকুল ইসলাম (৩৫), শহিদুল ইসলাম (৩২) শাহিন (২৫), শাহিদা বেগম (৫০) বড়ভিটা গুচ্ছগ্রাম স্বাক্ষীদের সামনেই মোকছেদুলকে বিভিন্ন মাদক দ্রব্যের মামলাসহ জেল হাজতের ভয় দেখায়। স্বাক্ষীরা জানান, মালামাল ক্রয়ের টাকা মোকছেদুল ফেরত চাইলেই এস.আই জাহিদ তাকে ধাপ্পর মারে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়। তার কষ্ঠে অর্জিত টাকা ফেরত পাবার আশায় নিরুপায় হয়ে এস.আই জাহিদের বিচার চাই মর্মে নীলফামারী পুলিশ সুপার বরাবরে ১৮/০৯/২০১৯ ইং রিসিভমূলে অভিযোগ করে। কিন্তু আজ পর্যন্ত তার টাকা উদ্ধারে এস.আই জাহিদের প্রত্যারণা ও অন্যায়ের বিচার হয় নাই। মোকছেদুল এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে রক্ষক হয়ে ভক্ষকের ভূমিকায় কিশোরগঞ্জ থানার শক্তিশালী ক্ষমতাধর এস.আই জাহিদ হাসানের বিচার দাবী করে কেঁদে ফেলেন। এ এক কঠিন দু’সময়! এ দু’সময়ে ভাল থাকবেন কি করে? সবখানে প্রত্যারণা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য