মহাজন ছাদেকের অপ্রতিরোধ্য ইয়াবা ও পতিতা ব্যবসা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কক্সবাজার শহরের হোটেল মোটেল জোনে কিছুতেই থামছে না ইয়াবা ও পতিতা ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সাঁড়াশী অভিযানে অপরাধে জড়িতরা গ্রেফতার হলেও এসব অনৈতিক কাজে সম্পৃক্ত অনেকেই এখনো রয়েছে অধরা।

পর্যটন নগরী খ্যাত কক্সবাজার প্রবেশদ্বার টার্মিনাল এলাকায় বিভিন্ন গেস্ট হাউজ ও হোটেলে বসে পতিতা ও ইয়াবা ব্যবসায়ীদের আসর। ইয়াবা ও পতিতা সরবরাহকারী এ চক্রটিকে স্হানীয় গুটিকয়েক প্রভাবশালী মহল নানা আপদে বিপদে মুক্ত করায় তারা এখন কাউকে পরোয়া করছেনা। হোটেল মোটেল জোনে অবৈধ এ ব্যবসার প্রায় অর্ধ-শতাধিক - সিন্ডিকেট এখনো সক্রিয় রয়েছে। প্রসাশনের কড়া নজরদারি এবং বারবার অভিযানের মাঝেও থেমে নেই এই মরণ ব্যবসা। 

অনুসন্ধানে উঠে এসেছে শহরের পশ্চিম হাজিপাড়ার মহাজন খ্যাত ছাদেক পতিতা ও ইয়াবা ব্যবসার মধ্যদিয়ে নিজের আর্থিক স্বচ্ছলতা বৃদ্ধির গোপন তথ্য। কক্সবাজার সদর উপজেলার পশ্চিম হাজীপাড়ার গোলাম কাদেরর পুত্র ছাদেক দীর্ঘ ৮/১০ বছর ধরে ইয়াবা ব্যবসায় সক্রিয়। এখন আবার ধরন পাল্টিয়ে পতিতা ব্যবসাও করছে। বাস টার্মিনাল এলাকায় ছৈয়দ নুর ও সাহেদ নামের এক প্রভাবশালীর সাথে তার রয়েছে মধুর সম্পর্ক। তাদের আস্কারায় ছাদেক হয়ে উঠেছে ইয়াবা ও পতিতা ব্যবসার মহাজন।

ব্যাপক অনুসন্ধানে জানা যায়, টার্মিনাল এলাকার হাসান গেস্ট হাউজ, ঢাকা হোটেল, এস,এম গেস্ট হাউজ, হোসেন গেস্ট হাউজ, নুর হোটেল ও কলাতলী জোনে সিপাল ওয়ান টু সহ ইন্টার কলাতলী জোনে ছৈয়দ নূরের নির্দেশে এ ছাদেক পতিতা ও ইয়াবা সরবরাহ করে থাকে। আরো জানা যায়, পিএম খালীর উত্তর নয়া পাড়ার প্রবাসী আব্দুল মজিদের স্ত্রী মরিয়মের দ্বিতল বিশিষ্ঠ বাসায় ২০/৩০ জন পতিতা রাখে এ ছাদেক। এছাড়াও বাংলা বাজার, লিংক রোড, ছেইন্দা সহ বিভিন্ন এলাকার ভাড়া বাসায় পতিতা ও ইয়াবা জমাট করে প্রভাবশালী ছৈয়দ নূরের ইঙ্গিত পাওয়ার সাথে সাথে নির্দিষ্ট জায়গায় পৌঁছে দেয় এ ছাদেক। বর্তমানে স্থান পরিবর্তন করে ডিককূল, পিএম খালী ও ছেইন্দা সহ বিভিন্ন এলাকায় তার আনাগোনা রয়েছে বলে জানা যায়।

এই নিয়ে ছাদেকের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, সে আগে এই ব্যবসা করত হরদমে। কিন্তু বর্তমানে এমন ব্যবসা করেন না বলে দাবি তার।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য