Recents in Beach

ব্রেকিং নিউজ

কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী হত্যা মামলায় সিএনজিচালক আটক ও মোবাইল উদ্ধার

কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী হত্যা মামলায় সিএনজিচালক আটক ও মোবাইল উদ্ধার

কুমিল্লার লালমাইয়ে ধানক্ষেত থেকে এক ১৫ বছর বয়সী স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে অগ্রগতি হয়েছে। ঘটনাস্থলে পাওয়া সিএনজিচালিত অটোরিকশার সূত্র ধরে চট্টগ্রাম থেকে সুমন নামের এক চালককে আটক করেছে পুলিশ। আটকের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহত ছাত্রীর মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে কুমিল্লা জেলা পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আটক সুমনের দেখানো স্থান থেকেই মোবাইলটি উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় তিনি একা জড়িত নাকি অন্য কেউ সম্পৃক্ত রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ছাড়া পুলিশ সুপার সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাবেন বলে জানা গেছে। পুলিশের পাশাপাশি জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক টিম এই ঘটনায় কাজ করছে। চট্টগ্রাম থেকে আটকের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে বিকেলে সুমনকে কুমিল্লায় আনা হয়। মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে তার সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা ব্যক্তিদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। কুমিল্লা জেলা পুলিশের মিডিয়া কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ কাজ করছে এবং সন্দেহে একজনকে আটক করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে লালমাই উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের জগতপুর গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে ওই ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশের পাশেই একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং কাছাকাছি ভ্যানিটি ব্যাগ ও পোশাক পড়ে ছিল। ময়নাতদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার রাতে নিহতের মরদেহ যশোর সদর উপজেলার গ্রামের বাড়িতে পৌঁছানোর পর শুক্রবার সকালে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৪ অক্টোবর বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলে কুমিল্লা নগরের ভাড়া বাসা থেকে বের হন ওই ছাত্রী। ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কক্সবাজার হয়ে বুধবার রাতে তিনি বাসে করে কুমিল্লায় ফেরেন। এরপর হোটেল নুরজাহান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর বৃহস্পতিবার সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে লালমাই থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান জানিয়েছেন, আটক সিএনজিচালককে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে। আটক সুমনের বাড়ি লালমাই সংলগ্ন জয়পুর এলাকায় হলেও তিনি শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন এবং রাতে পদুয়ার বাজার এলাকায় যাত্রী পরিবহন করতেন। ঘটনার পর তিনি আত্মগোপনে চলে যান এবং এনআইডি ও মোবাইল না থাকায় তার অবস্থান শনাক্ত করতে কিছুটা বেগ পেতে হয়। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়।

সংক্ষেপে:
কুমিল্লার লালমাইয়ে ধানক্ষেত থেকে স্কুলছাত্রী হত্যা মামলায় চট্টগ্রাম থেকে সিএনজিচালক সুমনকে আটক করেছে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যে নিহতের মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে।
কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী হত্যা মামলায় সিএনজিচালক আটক ও মোবাইল উদ্ধার

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ