পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের চূড়ান্ত তালিকায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন জাহিদ হাসানের নাম প্রকাশিত হয়েছে। সোমবার সকালে পিরোজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তালিকায় নিজের নাম দেখতে পান তিনি। এর আগে গত শনিবার প্রথম আলো অনলাইনে জাহিদকে নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে বিষয়টি আলোচনায় আসে। ২৮ বছর বয়সী জাহিদ মঠবাড়িয়া উপজেলায় সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ৮৩ জনের মধ্যে ৫৪তম মেধাক্রম অর্জন করেছিলেন এবং তিনি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন কোটাতেও আবেদন করেছিলেন। চূড়ান্ত তালিকায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও নিয়োগপত্র না পাওয়ায় তিনি ও তাঁর পরিবার হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। জাহিদের অভিযোগ ছিল, পুলিশ ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার ভেরিফিকেশনে তাঁকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। নিয়োগপত্রের বিষয়ে জানতে সোমবার সকালে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের উদ্দেশে রওনা হওয়ার পথে অনলাইনে ওয়েবসাইটে নিয়োগের তালিকায় নিজের নাম দেখতে পান তিনি। এরপর তিনি মুঠোফোনে বিষয়টি পরিবার ও প্রথম আলোকে জানান। গাড়ি থেকে জাহিদ বলেন, তাঁর ভালো লাগার বিষয়টি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয় এবং তাঁর চেয়ে তাঁর বাবা-মা ও বড় বোন বেশি খুশি হয়েছেন। তিনি পড়াশোনা শেষে ঢাকায় ছিলেন জানিয়ে বলেন, সরকারি চাকরির পরীক্ষার পর তিনি বাড়িতে চলে আসেন এবং পরিবারের ইচ্ছা ছিল যেন বাড়িতে থেকেই তিনি সরকারি চাকরি করেন। এখন পরিবারের সঙ্গেই থাকতে পারবেন বলে তিনি আনন্দ প্রকাশ করেন। এ বিষয়ে প্রশাসন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো যোগাযোগ করা হয়নি বলে জানান জাহিদ, তবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফরিদুল ইসলাম তাঁকে ফোন করে খোঁজখবর নিয়েছেন।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পেয়েছেন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন জাহিদ হাসান। সোমবার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তালিকায় নিজের নাম দেখতে পান তিনি।


0 মন্তব্যসমূহ