Recents in Beach

ব্রেকিং নিউজ

আগারগাঁওয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আলোচিত মিজানের ভাতের হোটেল আবারও উচ্ছেদ করেছে ডিএনসিসি

আগারগাঁওয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আলোচিত মিজানের ভাতের হোটেল আবারও উচ্ছেদ করেছে ডিএনসিসি

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বহুল আলোচিত মিজানের ভাতের হোটেল আবারও উচ্ছেদ করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। মঙ্গলবার দুপুরে ফুটপাতে চুলা জ্বালিয়ে রান্নার প্রস্তুতি চলার সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এর কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। অভিযান চলাকালে রান্না করা খাবারসহ মালামাল সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি ফুটপাতে স্তূপ করে রাখা কাঠের আসবাবপত্র ভেঙে জায়গাটি পরিষ্কার করা হয়। মঙ্গলবার দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে আগারগাঁও এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। ডিএনসিসির অঞ্চল-৪-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনের নেতৃত্বে পরিচালিত এই কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী। আগারগাঁও থেকে শুরু হয়ে শেওড়াপাড়া ও কাজীপাড়া হয়ে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর পর্যন্ত সড়কের দুই পাশের ফুটপাতে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকান ও অস্থায়ী স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়ে উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সিটি করপোরেশনের সূত্রে জানা যায়, আগের উচ্ছেদের পর এবার মিজানের কোনো স্থায়ী বা অস্থায়ী কাঠামো তৈরি করা ছিল না। গ্রাহকদের বসার জন্য চেয়ার-টেবিলও আগে থেকেই সরানো ছিল। তবে পথচারীদের চলাচলের ফুটপাতে উন্মুক্ত চুলা বসিয়ে রান্নাবান্না চলছিল এবং রান্নার জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে পুরোনো আসবাবপত্র জড়ো করে রাখা হয়েছিল। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্দেশে খাবার ও তৈজসপত্র সরিয়ে নেওয়া হলে অবশিষ্ট কাঠ ও অন্যান্য জঞ্জাল অপসারণ করে পথচারীদের জন্য ফুটপাত উন্মুক্ত করা হয়। অভিযানের বিষয়ে জানতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলীর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া মেলেনি এবং খুদে বার্তা পাঠিয়েও তাদের তরফ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এর আগে গত ১৬ আগস্ট আগারগাঁওয়ের তালতলা এলাকায় প্রথম দফায় মিজানের দোকানসহ সড়কের দুই পাশের সব অবৈধ স্থাপনা ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছিল ডিএনসিসি। তারও আগে, ১০ আগস্ট অবৈধ বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গেলে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীদের ওপর চড়াও হওয়া ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মিজানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। প্রায় দুই সপ্তাহ কারাভোগের পর জামিনে মুক্ত হয়ে তিনি আবারও ফুটপাতে দোকান চালু করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। উল্লেখ্য, প্রায় এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাত্র ১০০ টাকায় গরুর মাংস ও ভাত বিক্রির ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর দেশজুড়ে আলোচনায় আসেন তিনি এবং ভাইরাল মিজান খেতাব পান। সকালবেলা ফুটপাতেই মাংস ও ভাত রান্না করে স্বল্প মূল্যে পরিবেশন করায় দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের বহু মানুষের ভিড় জমত তার এই ভ্রাম্যমাণ ভাতের হোটেলে।

সংক্ষেপে:
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ফুটপাতে রান্নার প্রস্তুতি চলার সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আলোচিত মিজানের ভাতের হোটেল আবারও উচ্ছেদ করেছে ডিএনসিসি।
আগারগাঁওয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আলোচিত মিজানের ভাতের হোটেল আবারও উচ্ছেদ করেছে ডিএনসিসি

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ