আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও কূটনৈতিক প্রভাব বজায় থাকবে এবং ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে দেওয়া হবে না। ট্রাম্পের মতে, ইরান ওয়াশিংটনের সাথে একটি স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা আলোচনার জন্য এখনো প্রস্তুত নয়। তবে দ্রুতই তেহরান আলোচনার টেবিলে ফিরবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এদিকে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ নিয়ে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) দাবি নাকচ করে দিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম। সেন্টকম জানিয়েছে, মার্কিন বাহিনীর নিরাপত্তায় গত মে মাস থেকে প্রায় নয় শতাধিক বাণিজ্যিক জাহাজ এই জলপথ দিয়ে নিরাপদে চলাচল করেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, যদি ইরান পুনরায় কোনো আন্তর্জাতিক জাহাজে আক্রমণ করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি ইরানের অভ্যন্তরীণ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালাবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই হুমকির পর কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। আইআরজিসির মহাকাশ বাহিনীর কমান্ডার মেজর জেনারেল মাজিদ মুসাভি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরানের কোনো সেতু বা বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি ও তাদের মিত্র দেশগুলোর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা অচল করে দেওয়া হবে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, তাদের প্রতিরক্ষা নীতি হলো 'চোখের বদলে চোখ'। দেশের স্থাপনায় কোনো আঘাত এলে তেহরান তার দাঁতভাঙা জবাব দেবে বলে তিনি মার্কিন প্রশাসনকে সতর্ক করেন।
হরমুজ প্রণালিতে আন্তর্জাতিক জাহাজে হামলা হলে ইরানের অবকাঠামোতে সরাসরি হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাল্টা জবাবে তেহরানও মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার হুমকি দিয়েছে।
-6a61aab33f4cf.webp)


0 মন্তব্যসমূহ