জয়পুরহাট সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সহায়তায় অনুপ্রবেশের দুটি পৃথক প্রচেষ্টা সফলভাবে প্রতিহত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বর্তমানে ওই সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারির পাশাপাশি টহল ও জনবল বৃদ্ধি করা হয়েছে। শুক্রবার (০৫ জুন) বিকেলে জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ লতিফুল বারী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক জানান, গত পরশু রাতে বিএসএফের পক্ষ থেকে পুশ-ইনের একটি অনানুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেওয়া হলে বিজিবি তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে। এরপরের রাতেই সীমান্তে অনুপ্রবেশের একটি সরাসরি চেষ্টা চালানো হয়, যা বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে ব্যর্থ হয়। সর্বশেষ গত রাতেও সীমান্তের জিরো পয়েন্টে সন্দেহভাজন চলাচল লক্ষ্য করে বিজিবি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিজিবির টহল দল স্থানীয় গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিয়ে সারারাত সীমান্তে সজাগ দৃষ্টি রাখে। ফলে অনুপ্রবেশের সব চেষ্টা নস্যাৎ করা সম্ভব হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
সীমান্তের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে লে. কর্নেল মোহাম্মদ লতিফুল বারী বলেন, সাধারণত বিএসএফ প্রথমে কাটাতারের বেড়া দেওয়ার রুটিন কাজ শুরু করে এবং পরবর্তীতে পুশ-ইনের চেষ্টা চালায়। তবে বিজিবি এর কোনটিই মেনে নেয়নি। বিশেষ করে হিলি ও কয়া সংলগ্ন কাটাতারবিহীন স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে বিজিবির অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন করা হয়েছে। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেখানে টহল ব্যবস্থা জোরদার রয়েছে।
সীমান্ত সুরক্ষায় স্থানীয়দের ভূমিকার প্রশংসা করে ২০ বিজিবি অধিনায়ক বলেন, দেশের মানুষ ও সীমান্ত রক্ষায় বিজিবির পাশাপাশি স্থানীয় জনসাধারণ ও গ্রামবাসী অত্যন্ত সজাগ রয়েছেন। বর্তমানে আনসার, ভিডিপি ও গ্রাম রক্ষা পুলিশকে সাথে নিয়ে সমন্বিত যৌথ টহল পরিচালনা করা হচ্ছে। সীমান্তে কোনো ধরনের শিথিলতা দেখানোর সুযোগ নেই উল্লেখ করে তিনি স্থানীয় প্রশাসনসহ সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।
জয়পুরহাট সীমান্তে বিএসএফের সহায়তায় অনুপ্রবেশের দুটি চেষ্টা নস্যাৎ করেছে বিজিবি। বর্তমানে সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করে টহল জোরদার করা হয়েছে। স্থানীয়দের সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে বিজিবি।



0 মন্তব্যসমূহ