লেবাননে সংঘাত নিরসনে ওয়াশিংটনের মধ্যস্থতায় প্রস্তাবিত নতুন যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি প্রত্যাখ্যান করেছে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। অন্যদিকে, লেবানন থেকে নিজেদের সেনাবাহিনী প্রত্যাহার করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে ইসরায়েল। উভয় পক্ষের অনড় অবস্থানের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে এবং তেহরানের সাথে চুক্তি স্থাপনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেওয়া উদ্যোগ বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাতে এই তথ্য জানা গেছে।
হিজবুল্লাহ প্রধান নাঈম কাসেম যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় তৈরি হওয়া এই যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন। তবে হিজবুল্লাহর এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে ইসরায়েল বা লেবানন সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তিনি লেবানন পরিস্থিতির উন্নতির ব্যাপারে আশাবাদী এবং দেশটির জনগণের শান্তি পাওয়ার অধিকার রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই সংঘাত দীর্ঘ সময় ধরে চলছে। তবে ট্রাম্পের এই আশাবাদের বিপরীতে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ স্পষ্ট করেছেন যে, তাদের বাহিনী লেবানন থেকে পিছু হটবে না এবং সামরিক অভিযানও বন্ধ করা হবে না।
অন্যদিকে, তেহরান ওয়াশিংটনের সাথে যেকোনো শান্তি আলোচনার জন্য লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়াকে প্রধান শর্ত হিসেবে ঘোষণা করেছে। ইরান আরও ইঙ্গিত দিয়েছে যে, ইসরায়েল যদি লেবাননে আক্রমণ অব্যাহত রাখে, তবে তারা সরাসরি এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে।
লেবাননে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে হিজবুল্লাহ এবং সেনা সরাবে না বলে জানিয়েছে ইসরায়েল। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে ট্রাম্পের নেওয়া উদ্যোগ বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।



0 মন্তব্যসমূহ