অবৈধভাবে কে আর বি ও এম এইচ ইটভাটা সচল থাকায় হুমকীর মধ্যে আশপাশের কৃষি ও বনাঞ্চল


ফেরদৌসুর রহমান স্টাফ রিপোর্টার ঠাকুরগাঁওঃ
 

ঠাকুরগাঁয়ে অবৈধভাবে কে আর বি ও এম এইচ ইটভাটা সচল থাকায় হুমকীর মধ্যে এলাকার জনস্বাস্থ্য, আশপাশের  কৃষি ও বনাঞ্চল । ইটভাটাদ্বয়ের মালিক মোঃ মোমিনুর রহমান মনি। আইন বহির্ভূতভাবে গড়ে ওঠা  ভাটাদ্বয়ে  রয়েছে নানা ধরণের ত্রুটি বিচ্যুতি। নেই পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র। অথচ  ভাটায় চলছে ইচ্ছা মত  ইট পোড়ানো কার্যক্রম।  কয়লার পরিবর্তে কাঠ  পোড়ানো হচ্ছে। এদিকে ইট বহনের ফলে গুরুত্বপুর্ন রাস্তাটাও হুমকীর মধ্যে পড়েছে। লোকালয় ও ফসলী জমির উপরে গড়ে ওঠা ভাটাদ্বয়ে ইট পোড়ানোর ফলে এলাকার জনস্বাস্থ্য যেমন হুমকীর মধ্যে পড়েছে, তেমনি আশপাশের বনাঞ্চলও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।

এলাকাবাসী ও সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ও নারগুনে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে  গড়ে উঠেছে  ইটভাটা। ভাটা সংলগ্ন রয়েছে কৃষি ভুমি, বন বিভাগের সৃজন করা বন, বাজার, ৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আর রয়েছে কয়েক হাজার মানুষের বসবাস। ফলে ঘনবসতি এ এলাকায় কোন ভাবেই ইটভাটা স্থাপনের জন্য উপযুক্ত নয়। এ নিয়ে স্থানীয় সুশিল সমাজ বিভিন্ন ভাবে অভিযোগ করলেও ইটভাটা মালিকের কালো টাকার জোরে তা ধামাচাপা পড়ে আসছে।  এ  ছাড়াও বিভিন্ন অঞ্চল থেকে কৃষি জমির উর্বর মাটিও আনা হচ্ছে  ইট ভাটাদ্বয়ে।

এর ফলে সামগ্রিক পরিবেশের উপর যেমন হুমকি সৃষ্টি হয়েছে, তেমনি দ্রত সঙ্কুচিত হয়ে পড়ছে দেশের কৃষিখাত। এক শ্রেণির মানুষ আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কৃষি জমি অকৃষি খাতে নিয়ে যাচ্ছে। সরকারের প্রচলিত আইন থাকলেও তার যথাযথ প্রয়োগ হচ্ছে না বলে জানাচ্ছেন সুধিসমাজ। ভাটার ইট বহনের ফলে এলাকার  গুরুত্বপুর্ন সড়কটি এখন বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য