রংপুরে মসজিদের জমি দখলমুক্ত করণ ও মিথ্যা মামলা থেকে অব্যহতির লক্ষ্যে স্মারকলিপি প্রদান


শরিফা বেগম শিউলী, রংপুর প্রতিনিধিঃ

মেট্টো পুলিশ কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করে হস্তক্ষেপ কামনা।রংপুর নগরীর ২২নং ওয়ার্ডের বাবুখাঁ দক্ষিণ পাড়া জামে মসজিদটি বাংলা ১৩৪২ সনে প্রতিষ্ঠিত। মসজিদের জমিতে প্রশাসনিক ক্ষমতা অপব্যবহার করে ব্যক্তিনামে মাদ্রাসা ও জানাযার মাঠ স্থাপন, জমি দখলের পায়তারা এবং এলাকাবাসীকে বিভিন্ন ধরনের মামলা দিয়ে হয়রানি বন্ধের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্মারকলিপি প্রদান করে। 

এলাকাবাসী থানায় সাহায্য প্রাপ্তি থেকে বিফল হলে, তারা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে শালিশী বৈঠকে পরামর্শ করে মানব্বন্ধন করে। আমজাদ হোসেন এলাকাবাসীর নামে মিথ্যা জি আর ৬৮৫/২০, জি আর ০৫/২১, সি.আর ৮১০/২০, এম আর ৩৪৫/২০, এম আর ২৮৯/২০ ধারায় মামলা দায়ের করে। যে মামলার আসামি অনেক ছাত্র, বৃদ্ধ ও মসজিদ কমিটির অনেক মুসল্লী। তারা এখন পুলিশের গ্রেফতারের আতঙ্কে দিন যাপন করছে।বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারী) দুপুর ২ টার দিকে এলাকাবাসী রংপুর মেট্রো পলিটন পুলিশ কমিশনার আলিম মাহমুদকে এ স্বারক প্রদান করেছে। 

এলাকাবাসী বলেন, বাবুখাঁ দক্ষিণ পাড়া জামে মসজিদ কমিটির সবেক সভাপতি বাবুখাঁ দক্ষিণ পাড়ার বাসিন্দা মৃত আব্দুল মজিতুল্লাহের ছেলে আমজাদ হোসেন মসজিদের জমি বেআইনি ভাবে দখল করে তার মৃত স্ত্রীর নামে মাহামুদা মেমোরিয়াল মাদ্রাসা নির্মাণ করে। এলাকাবাসী আমজাদ হোসেনের অন্যয় কাজের বিরোধিতা করলে। আমজাদ হোসেন বিরোধিতা কারীদের বিরুদ্ধে হামলা ও মামলা করে এলাকাবাসীকে হয়রানি করতেছে। 

এছাড়াও মসজিদ ও মাদ্রাসা কেন্দ্রীক নানা রকম অপকৌশল এবং অপকর্মের সাথে জড়িত তার সমস্ত অপকর্মের মদদ দাতা তারই পুত্র বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চট্টগ্রাম সেনা নিবাসে কর্মরত কর্ণেল মিজানুর রহমান বুলেট। আমজাদ হোসেন তার কর্ণেল পুত্রের দাপটে কোন কিছুরই তোয়াক্কা করে না। উদ্ভুত পরিস্থিতি সমাধানকল্পে এলাকাবাসী থানার দারস্থ হলে মিজানুর রহমান বুলেটের প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহারের ফলে মেট্টো কোতয়ালী থানা কোন প্রকার আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। অথচ কর্ণেল মিজানুর রহমান বুলেট কথা মতো এলাকাবাসীদের নামে মামলা দায়ের করতে সাহায্য করছেন।

সিটি কর্পোরেশনের ২২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মিজানুর রহমান মিজু বলেন, আমজাদ হোসেন যখন  মসজিদ কমিটির সভাপতি ছিলেন, তখন  মসজিদের জায়গায় দখল করে তার স্ত্রীর নামে মাহমুদা মেমোরিয়াল মাদ্রাসা নির্মাণ করে। এলাকাবাসী তখন কিছু বলেনি। এখন সভাপতিসহ কমিটির পরিবর্তন হওয়ায় এই সমস্যাটা শুরু হয়েছে। রংপুর মেট্টো পুলিশ কমিশনার আলিম মাহমুদ বলেন, মসজিদের জমি নিয়ে আর কোন ঘটনা ঘটুক এটা চাই না। তাই ইতিপূর্বে যে ঘটনা ঘটছে  তার পুনরায় সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য