ডিমলায় বন্যার পানিতে প্লাবিত

আব্দুল মালেক, নীলফামারী প্রতিনিধিঃ 
নীলফামারীর ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ১৫টি চরাঞ্চলের লোকালয়ের বসতভিটার উপর দিয়ে তিস্তা নদীর পানি ৫২ সেন্টিমিটার বিপদসীমার মধ্যে ভাটির দিকে ধাপিত হচ্ছে। দুই উপজেলার প্রায় ১২ হাজার পরিবার বন্যার পানিতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। 

রোববার বিকালে সরেজমিনে দেখা যায়, ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের দুটি ওয়ার্ডের ছাতুনামা ও ভেন্ডাবাড়ী চর এলাকার প্রায় ১৫শত পরিবারের বসতভিটা বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে এসব পরিবারের লোকজন রান্না করতে না পারায় শুখনো খাবার খেয়ে কোনরকম জীবিকা নির্বাহ করছে। 

এমনকি গবাদি পশু গরু, ছাগলের খাবার নিয়ে চরম বিপাকে পড়ছে তারা। সরকারী ত্রান সামগ্রী ছাড়াও ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান তার ব্যক্তিগত উদ্দোগে শুখনো খাবারের পাশাপাশি রান্না করা খাবার নৌকায় ভ্রমন করে নিজেই পৌছে দিচ্ছেন বানভাসিদের মাঝে। এমনকি তিনি বানভাসিদের বসতবাড়ি, লোকজন ও গবাদি পশু গুলো সরিয়ে উচু এলাকার আশ্রয়ণে নিয়ে যাচ্ছেন ইউপি চেয়ারম্যান।

এদিকে ডিমলার ৭নং খালিশা চাপানী ইউনিয়ন ছোটখাতা মৌজায় বন্যাকবলিত এলাকার ২১টি পরিবারের মাঝে নিজেস্ব অর্থায়নে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করেন, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ডোমার সার্কেল জয়ব্রত পাল। 

তিনি রোববার ১২ জুলাই বিকালে নৌকায় ভ্রমন করে এসব খাদ্য সামগ্রী বিতরন করেন তিনি। মিনিগেট চাল সাড়ে ৫ কেজি, ডাল ০১ কেজি, তেল ১লিটার, আলু  ৩কেজি, লবন, চিনি, আটা, চিড়া,সাবান, পেয়াজ-মরিচ ও হলুদ প্রতিটি পরিবারের মাঝে নিজ হাতে বিতরন করেন। 

এসময় তিনি বন্যাকবলিত পরিবার গুলোকে সান্তনা দিয়ে বলেন, আপনাদের দুঃখ দুর্দশা লাঘব করতে আমার  উদ্ধতন কতৃপক্ষের তুলে ধরবো । এছাড়াও এসব বানভাসিদের পাশে বিত্তবানদের এগিয়ে আসারো আহবান জানান, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ডোমার সার্কেল জয়ব্রত পাল। 

খাদ্য সামগ্রী বিতরনকালে এসময় উপস্থিত ছিলেন, ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্য  মফিজ উদ্দিন শেখ, ৭নং খালিশা চাপানী ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান সরকার, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সোহরাব হোসেন, ওয়ার্ড সভাপতি খন্দকার রফিকুল ইসলাম খানসহ অনেকে। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য