বাংলাদেশের চলমান অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা এবং পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভের পরিস্থিতি অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ভারত। একইসঙ্গে প্রতিবেশীর সঙ্গে একটি ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বজায় রাখার দৃঢ় প্রতিশ্রুতির কথাও পুনর্ব্যক্ত করেছে নয়াদিল্লি। মঙ্গলবার নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ের সময় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এসব কথা জানান। সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান দাবি করেছেন যে, ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে মিলে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করছে। এই অভিযোগের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি রণধীর জয়সওয়াল। তিনি প্রশ্নকারীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, এই বিষয়ে তার কোনো মন্তব্য নেই। এছাড়া, ঢাকার একটি সমাবেশে ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির নেতাদের ভারতবিরোধী মন্তব্য এবং পোশাক শ্রমিকদের চলমান আন্দোলন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে কোনো প্রভাব ফেলবে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র জানান যে দেশটির সমস্ত ঘটনাবলি ও পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে নয়াদিল্লি। আগামী ১২ ডিসেম্বর ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার বিষয়ে যৌথ নদী কমিশনের কোনো বৈঠক বা নতুন আপডেট আছে কি না জানতে চাইলে তিনি জানান, এই মুহূর্তে এ বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য শেয়ার করার মতো নেই। পাশাপাশি নয়াদিল্লি ও ঢাকার মধ্যকার আসন্ন উচ্চ পর্যায়ের কূটনৈতিক বৈঠকের বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফرهর আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এবং এ বিষয়ে নতুন তথ্য পেলে তা জানানো হবে।
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা ও পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ভারত। নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এই কথা জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।



0 মন্তব্যসমূহ